মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে লিখেছে, ছয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে ইরান আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, অথচ যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যগুলো এখনো অস্পষ্ট।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করে তেহরানের নীতি ও কৌশল পরিবর্তন করতে পারবে—এমন সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প সংঘাতের প্রথম দিনে ইরানি জনগণকে দ্রুততম সময়ে স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে ছয় মাস পর এখন তাঁর প্রশাসন অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে দেশটির সাধারণ মানুষকে আরও দরিদ্র করার চেষ্টা করছে।
সংবাদমাধ্যমটি আরও লিখেছে, ইরানকে ওয়াশিংটনের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের স্পষ্ট ব্যর্থতা আড়াল করা কঠিন। কারণ ইসলামি প্রজাতন্ত্রটি কেবল টিকেই থাকেনি, বরং কার্যত কৌশলগত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছে এবং আঞ্চলিক প্রভাব আরও সুসংহত করেছে। পাশাপাশি অনেক দেশ এখন তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, মিত্রদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা যেমন ক্ষুণ্ন হয়েছে, তেমনি পশ্চিম এশিয়ায় ব্যয়বহুল ও অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ এড়িয়ে চলা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের যে সুনাম ছিল, তাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সূত্র: পার্সটুডে
kalprakash.com/IM