শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬ | ২৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৩ সফর, ১৪৪৮ | রাত ৩:৩৮:৫০

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র টেকসই হবে: মির্জা ফখরুল

জাতীয় ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২০
শেয়ার: mail
গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র টেকসই হবে: মির্জা ফখরুল

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন গণমাধ্যমই টেকসই গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। তিনি মনে করেন, সাংবাদিকদের নিরপেক্ষভাবে সত্য তুলে ধরতে হবে, যদিও দেশের সংবাদমাধ্যমের মালিকানা কাঠামো ও আর্থিক বাস্তবতা সাংবাদিকতার স্বাধীনতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে টিভি এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোতে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। কিন্তু বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এখনো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে রাখছে।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের দায়িত্ব শুধু সংবাদ প্রচার নয়, বরং সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা এবং ভুল-ত্রুটি নিরপেক্ষভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরা। তবে টকশো ও বিভিন্ন আলোচনায় অতিরঞ্জিত নেতিবাচক উপস্থাপনাও পরিহার করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির মহাসচিবের মতে, বর্তমানে সরকারের সরাসরি চাপ আগের তুলনায় কম থাকলেও অনেক সাংবাদিক আত্মসংযম বা আত্মনিয়ন্ত্রণের কারণে সব তথ্য প্রকাশ করতে পারেন না। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে সত্য প্রকাশে সাহসী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদমাধ্যমের কর্মপরিবেশ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, অনেক সাংবাদিককে কোনো নোটিশ ছাড়াই চাকরিচ্যুত করা হয়, অনেক প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম বেতন ও চাকরির নিরাপত্তাও নিশ্চিত নয়। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় পেশাজীবী সংগঠনগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের অন্যতম শর্ত হলো ভিন্নমতকে সম্মান করা। নিজের মতের সঙ্গে মিল না থাকলেও অন্যের মত প্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা বাড়লে টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় ধরে দেশে নিরবচ্ছিন্ন গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়নি বলেও উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণতান্ত্রিক চর্চার সূচনা করেছিলেন এবং পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করেন। তবে বিভিন্ন সময়ে সেই প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward