শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬ | ২৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৩ সফর, ১৪৪৮ | রাত ৩:৩৮:৪২

ইয়াবা কারবারিদের নতুন তালিকা হবে, টেকনাফে বসবে আরও দুই সেনা ক্যাম্প: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০২
শেয়ার: mail
ইয়াবা কারবারিদের নতুন তালিকা হবে, টেকনাফে বসবে আরও দুই সেনা ক্যাম্প: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

ইয়াবা কারবারে জড়িত প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ী ও বাহকদের নতুন করে তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে টেকনাফে অপহরণ প্রতিরোধে আরও দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে কক্সবাজারের হিলডাউন সার্কিট হাউসে মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নবিষয়ক এক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক চোরাকারবারি, শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী এবং ইয়াবা বহনকারীদের নিরপেক্ষভাবে চিহ্নিত করে নতুন তালিকা প্রস্তুত করা হবে। কক্সবাজার ও সীমান্ত এলাকার মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স কমিটি এ তালিকা প্রণয়ন করবে এবং তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ইয়াবা পাচার ও মাদকের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। মাদক পাচারের রুটগুলোতে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি সমুদ্রপথে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের টহল আরও জোরদার করা হবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ক্যামেরা পুরোপুরি সচল করা হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পের ভেতরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি জানান, সংসদে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের পর নতুন আইনের আলোকে কক্সবাজারে প্রথম সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

সালাউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা নাফ নদে মাছ ধরার কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে উখিয়া ও টেকনাফের জেলে এবং নৌযানকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি সমুদ্রপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে ১১টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের মাধ্যমে নজরদারিতে রাখা হবে।

টেকনাফ ও উখিয়ায় অপহরণের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। অপহরণ প্রতিরোধে টেকনাফে আরও দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

সমন্বয় সভায় সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ ও অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান, পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward