সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ | ১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২২ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | সকাল ৯:০৬:২৪
শিরোনাম
● নাসিরনগরে ১৩ বছরের শিশু নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার ● মণিরামপুরে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ ● আইল কাটায় বিধবার হাত ভাঙার অভিযোগ সাবেক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে ● চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় আমৃত্যু কারাদন্ড ● ১০ টাকার নোট তুলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ● প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ● তেজগাঁও কলেজ সরকারি করার দাবিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে স্মারকলিপি ● যানবাহনের গ্যাসের দাম বাড়াল বিইআরসি ● হাসপাতালে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ৫৪ কর্মকর্তা ● কূটনীতিক বহিষ্কারের মার্কিন দাবি নাকচ আরাঘচির ● নাসিরনগরে ১৩ বছরের শিশু নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার ● মণিরামপুরে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ ● আইল কাটায় বিধবার হাত ভাঙার অভিযোগ সাবেক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে ● চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় আমৃত্যু কারাদন্ড ● ১০ টাকার নোট তুলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ● প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ● তেজগাঁও কলেজ সরকারি করার দাবিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে স্মারকলিপি ● যানবাহনের গ্যাসের দাম বাড়াল বিইআরসি ● হাসপাতালে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে ৫৪ কর্মকর্তা ● কূটনীতিক বহিষ্কারের মার্কিন দাবি নাকচ আরাঘচির

কেন রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী রাষ্ট্রপতি দরকার?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৭
শেয়ার: mail
কেন রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী রাষ্ট্রপতি দরকার?

২০০১ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। সরকার গঠনের পর তারা অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করলেও নানা মতপার্থক্যের জেরে তিনি পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে বিএনপি সিদ্ধান্ত নেয় নিরপেক্ষ ও অরাজনৈতিক সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়ার। উদ্দেশ্য ছিল—রাষ্ট্রপতি পদটি যেন সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকে। কিন্তু ২০০৬-২০০৭ সালের রাজনৈতিক ও সামরিক সংকটে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার অভাবে ইয়াজউদ্দিনের ব্যর্থতা দেশকে ‘এক-এগারো’র অনির্বাচিত শাসনের দিকে ঠেলে দেয়। বঙ্গভবনে তৎকালীন সেনাপ্রধানের চাপের মুখে নতিস্বীকার করে তিনি গণতন্ত্রকে বন্ধী করেছিলেন।

এর ঠিক বিপরীত চিত্র দেখা গিয়েছিল ১৯৯৬ সালে। তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাসের দৃঢ়তা ও অকুতোভয় সিদ্ধান্তের কারণে তৎকালীন সেনাপ্রধানের সামরিক অভ্যুত্থানের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তিনি সংবিধান ও নিজের অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ করে সেনাপ্রধানকে অপসারণ করেন এবং গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করেন।

ইতিহাসের এই দুটি বিপরীতধর্মী অভিজ্ঞতা স্পষ্ট বার্তা দেয় যে—চরম সংকটে তথাকথিত সুশীল বা অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের চেয়ে দৃঢ় রাজনৈতিক চেতনা, প্রজ্ঞা ও অকুতোভয় ব্যক্তিত্বের রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি জরুরি।

বর্তমানে পুনরায় নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসায় একটি নির্বাচিত সরকার থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি বেশ স্পর্শকাতর। এমন এক সময়ে রাষ্ট্রপতির আসনে এমন কাউকে প্রয়োজন, যিনি সরকারের সাথে ‘দ্বৈত শাসন’ বা নিজস্ব কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়ন না করে দলীয় আদর্শ, গণতন্ত্র ও ৩১ দফার মূল চেতনাকে ধারণ করবেন। ক্ষমতালোভী মেধাবীর চেয়ে দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদই যে সংকটে দেশের বড় শক্তি—রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এই ঐতিহাসিক শিক্ষা বিবেচনা করা এখন সময়ের বড় দাবি।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬ | Globe kalprakash.com

কেন রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী রাষ্ট্রপতি দরকার?

বিস্তারিত কমেন্টে