বাংলাদেশ ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

মোটরসাইকেল মালিকদের অগ্রিম আয়কর (AIT) আদায়ের পরিকল্পনা: কীভাবে হতে পারে আদায় প্রক্রিয়া

মোটরসাইকেল মালিকদের কাছ থেকে অগ্রিম আয়কর (AIT) আদায়ের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে কীভাবে এই কর বাস্তবায়ন করা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং বিষয়টি আলোচনাধীন রয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলসহ কর নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা যানবাহনকে অগ্রিম আয়করের আওতায় আনার প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে মালিকদের শুধু বার্ষিক ট্যাক্স টোকেন ফি দিতে হয়, নতুন ব্যবস্থায় এর পাশাপাশি আয়করও যুক্ত হতে পারে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নিবন্ধিত প্রায় ৪৯ লাখ মোটরসাইকেলকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনার চিন্তা রয়েছে। তবে কর আদায়ের পদ্ধতি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এনবিআর কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ভাবনায় দুটি পদ্ধতি আলোচনায় রয়েছে— ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) ভিত্তিক আদায় অথবা সরাসরি রেজিস্ট্রেশন ও ট্যাক্স টোকেন ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত করে কর সংগ্রহ।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী ইঞ্জিন সিসি ভিত্তিক কর হার নির্ধারণের আলোচনা চলছে। এতে ১১০ সিসি পর্যন্ত বাইকের জন্য কম হার, ১২৫ সিসি পর্যন্ত মাঝারি হার এবং ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের জন্য তুলনামূলক বেশি কর নির্ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে শুধু মোটরসাইকেল নয়, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ক্ষেত্রেও অগ্রিম আয়কর আরোপের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে মালিক ও চালকদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, ইতিমধ্যেই ট্যাক্স টোকেন ফি দিতে হয়, নতুন করে অতিরিক্ত কর আরোপ হলে তা সাধারণ ব্যবহারকারী ও আয়ের ওপর নির্ভরশীল চালকদের জন্য চাপ তৈরি করবে।

এনবিআর জানিয়েছে, বিষয়টি এখনো পর্যালোচনাধীন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাজেট ঘোষণার সময় জানা যাবে।

kalprakash.com/SS
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মোটরসাইকেল মালিকদের অগ্রিম আয়কর (AIT) আদায়ের পরিকল্পনা: কীভাবে হতে পারে আদায় প্রক্রিয়া

প্রকাশিত: ০৪:৪৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মোটরসাইকেল মালিকদের কাছ থেকে অগ্রিম আয়কর (AIT) আদায়ের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে কীভাবে এই কর বাস্তবায়ন করা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং বিষয়টি আলোচনাধীন রয়েছে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলসহ কর নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা যানবাহনকে অগ্রিম আয়করের আওতায় আনার প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে মালিকদের শুধু বার্ষিক ট্যাক্স টোকেন ফি দিতে হয়, নতুন ব্যবস্থায় এর পাশাপাশি আয়করও যুক্ত হতে পারে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নিবন্ধিত প্রায় ৪৯ লাখ মোটরসাইকেলকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনার চিন্তা রয়েছে। তবে কর আদায়ের পদ্ধতি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এনবিআর কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ভাবনায় দুটি পদ্ধতি আলোচনায় রয়েছে— ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) ভিত্তিক আদায় অথবা সরাসরি রেজিস্ট্রেশন ও ট্যাক্স টোকেন ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত করে কর সংগ্রহ।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী ইঞ্জিন সিসি ভিত্তিক কর হার নির্ধারণের আলোচনা চলছে। এতে ১১০ সিসি পর্যন্ত বাইকের জন্য কম হার, ১২৫ সিসি পর্যন্ত মাঝারি হার এবং ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের জন্য তুলনামূলক বেশি কর নির্ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে শুধু মোটরসাইকেল নয়, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ক্ষেত্রেও অগ্রিম আয়কর আরোপের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে মালিক ও চালকদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, ইতিমধ্যেই ট্যাক্স টোকেন ফি দিতে হয়, নতুন করে অতিরিক্ত কর আরোপ হলে তা সাধারণ ব্যবহারকারী ও আয়ের ওপর নির্ভরশীল চালকদের জন্য চাপ তৈরি করবে।

এনবিআর জানিয়েছে, বিষয়টি এখনো পর্যালোচনাধীন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাজেট ঘোষণার সময় জানা যাবে।

kalprakash.com/SS