আন্তর্জাতিক বাজারে টানা ওঠানামার পর বুধবার তেলের দামে কিছুটা পতন দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনায় বাজারে এই পরিবর্তন এসেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্য নিরাপদ রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া একটি উদ্যোগ সাময়িকভাবে স্থগিত করার ইঙ্গিত দেন এবং ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলার কথা জানান। এই খবর বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১.৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তেলের দামও ১.৬ শতাংশের মতো কমে ১০০ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করে।
এর আগে সপ্তাহের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বাড়ার কারণে তেলের দাম ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হওয়ায় বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের বড় একটি অংশের জ্বালানি পরিবাহিত হয়, ফলে যেকোনো উত্তেজনা সরাসরি বৈশ্বিক বাজারে প্রভাব ফেলে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক সমাধানের ইঙ্গিত বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে, তবে পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্য স্বাভাবিকভাবে চলবে কি না, সেটিই এখন বাজারের মূল উদ্বেগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের লক্ষ্য অনেকাংশেই পূরণ হয়েছে এবং এখন তারা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথেই অগ্রসর হতে চায়। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 






















