পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের কূটনৈতিক ও আইনি সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নিহতদের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে।
সোমবার (৪ মে) সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লোরিডায় নিহত শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের খণ্ডিত মরদেহ গ্রহণের সময় তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, নিহত অপর শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে এবং সরকার দুই পরিবারের পাশে রয়েছে।
জানা গেছে, গত ২৫ এপ্রিল ফ্লোরিডায় ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি দূতাবাস এবং মায়ামি কনস্যুলেটের সমন্বয়ে পরিবারের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে পাঠানো হয়। সোমবার সকালে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়।
এর আগে টাম্পার একটি ইসলামিক সোসাইটি মসজিদে লিমনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা অংশ নেন।
একই ঘটনায় নিহত আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি হিলসবোরো কাউন্টির শেরিফ অফিস নিশ্চিত করে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ কনস্যুলেট পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়। আগামী ৬ মে টাম্পায় তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা জানিয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়া মিয়ামি কনস্যুলেট ও ওয়াশিংটন ডিসি দূতাবাসের সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে এবং মরদেহ দ্রুত দেশে আনার কাজ চলছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা ও বিচার বিভাগীয় সংস্থার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে।
kalprakash.com/SS
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















