শরীরের ভেতরে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন ধীরে ধীরে নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীর আগে থেকেই কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণের মাধ্যমে এই সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। এসব সংকেত সময়মতো শনাক্ত করা গেলে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। নিচে প্রধান কিছু লক্ষণ তুলে ধরা হলো।
ত্বকের পরিবর্তন
হঠাৎ ত্বক লালচে হয়ে যাওয়া, ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া কিংবা অস্বাভাবিক শুষ্কতা ও নিস্তেজ ভাব দেখা দিলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের সমস্যাও শরীরের ভেতরের প্রদাহ বা হরমোনগত ভারসাম্যহীনতার ইঙ্গিত দিতে পারে।
হজমের সমস্যা
নিয়মিত পেট ফাঁপা, অম্বল বা হজমে অস্বস্তি কেবল খাদ্যাভ্যাসের কারণে নয়। অনেক সময় এটি অন্ত্রের প্রদাহ বা অনিয়মের লক্ষণ হতে পারে, যা পুরো শরীরের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা
পেশি বা জোড়ায় ব্যথা যদি দীর্ঘদিন ধরে থাকে এবং বিশ্রামের পরও না কমে, তাহলে তা শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহের সংকেত হতে পারে। এটি শুধু শারীরিক পরিশ্রমের ফল নয়, বরং গভীর কোনো সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে।
মানসিক অস্থিরতা ও ক্লান্তি
পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও সারাদিন ক্লান্ত লাগা, মন খারাপ থাকা বা খিটখিটে মেজাজ প্রদাহের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। গবেষণায় দেখা যায়, দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও প্রভাব ফেলে।
দীর্ঘমেয়াদি রোগের উপস্থিতি
আর্থ্রাইটিস, কোলাইটিস বা প্যানক্রিয়াটাইটিসের মতো রোগগুলো শরীরে অতিরিক্ত বা দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
করণীয়
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে শুধু ওষুধ বা বাহ্যিক চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত চিকিৎসা পরামর্শ শরীরের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
সূত্র: আনন্দবাজার
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 

























