ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা ঘিরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠককে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইতোমধ্যে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। খবর সিএনএনের।
গতকাল শুক্রবার বিশেষ প্রতিনিধি দল নিয়ে ইসলামাবাদে পৌঁছালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। তাকে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি।
অন্যদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্য স্টিভ উইটকফ এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার আজ ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন। তাদের আগমনকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও বেড়েছে এবং আলোচনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক নজরও বাড়ছে।
তবে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদে অবস্থান করলেও মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসতে আগ্রহী নন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি জানিয়েছেন, ইরানি প্রতিনিধিদল শুধু পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেই বৈঠক করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সরাসরি আলোচনার পরিকল্পনা নেই। ইরানের অবস্থান কেবল পাকিস্তানকেই জানানো হবে।
এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে ইরানের ভেতরে যারা ক্ষমতায় আছেন তাদের সঙ্গেই আলোচনা চলছে এবং একটি প্রস্তাব আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
সব মিলিয়ে ইসলামাবাদে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনাকে ঘিরে উত্তেজনা ও কূটনৈতিক আগ্রহ দুটোই বেড়েছে, যদিও সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 






















