বিশ্বব্যাপী ইসলামী অর্থনীতি ও অর্থায়নের পরিধি ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহও দিন দিন বাড়ছে। অনেক মুসলিম ও অমুসলিম দেশেই ইসলামী অর্থনীতি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারিত হচ্ছে।
শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর এডুকেশন ইন ইসলামিক ফাইন্যান্স (আইএনসিইআইএফ), যা ৮৬ পয়েন্ট অর্জন করেছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছে যুক্তরাজ্যের ডারহাম ইউনিভার্সিটি বিজনেস স্কুল (৮৪.৭৫ পয়েন্ট) এবং তৃতীয় স্থানে ইউনিভার্সিটি মালায়া, মালয়েশিয়া (৭৮.৭৫ পয়েন্ট)।
দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়া, যার নয়টি প্রতিষ্ঠান তালিকায় স্থান পেয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত দ্বিতীয় স্থানে, যেখানে চারটি প্রতিষ্ঠান স্থান পেয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে সৌদি আরব, তিনটি প্রতিষ্ঠান নিয়ে। বাহরাইন ও পাকিস্তানের দুটি করে প্রতিষ্ঠান শীর্ষ তালিকায় আছে।
শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও পয়েন্ট হলো:
১. আইএনসিইআইএফ, মালয়েশিয়া – ৮৬
২. ডারহাম ইউনিভার্সিটি বিজনেস স্কুল, যুক্তরাজ্য – ৮৪.৭৫
৩. ইউনিভার্সিটি মালায়া, মালয়েশিয়া – ৭৮.৭৫
৪. ইউনির্ভাসিটাস ইন্দোনেশিয়া – ৭৫.৩
৫. ইউনিভার্সিটি কেপাংসান, মালয়েশিয়া – ৭৫.৩
৬. ইউনিভার্সিটি সাইনস, মালয়েশিয়া – ৭৫.৩
৭. ইউনিভার্সিটি উতারা, মালয়েশিয়া – ৭৫.৩
৮. ইউনিভার্সিটি অব বাহরাইন – ৭৪.৮
৯. ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, পাকিস্তান – ৬৯.৮
১০. ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, মালয়েশিয়া – ৬৮.৫
শীর্ষ ৩০ এর বাইরে ইসলামী অর্থনীতি ও গবেষণায় উদীয়মান প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে কাতারের হামাদ বিন খলিফা ইউনিভার্সিটি, মরক্কোর রাবাত বিজনেস স্কুল, সৌদি আরবের প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান কলেজ অফ বিজনেস, ইন্দোনেশিয়ার তাজকিয়া ইউনিভার্সিটি, এবং কাজাখস্তানের আল-ফারাবি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।
বিশ্বব্যাপী ইসলামী অর্থনীতি শিক্ষা ও গবেষণার প্রসার প্রমাণ করে যে, এই খাতে শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের আগ্রহ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং দেশগুলোর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এ বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
kalprakash.com/SS
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















