বাংলাদেশ ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ক্যান্সার প্রতিরোধে যেসব খাবার উপকারী

সংগৃহীত ছবি

ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ সম্পূর্ণভাবে খাদ্যাভ্যাস দিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও সঠিক ডায়েট মেনে চললে এর ঝুঁকি অনেকটা কমানো যায় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। স্ট্যানফোর্ড, জনস হপকিন্স এবং ভারতের আইসিএমআর-এর গবেষকদের মতে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে বলা হয় মেটাবলিক রিপ্রোগ্রামিং।

গবেষণায় দেখা যায়, ক্যান্সার কোষ দ্রুত বিভাজিত হয় এবং এর জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়। চিনি ও প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট যেমন পিৎজা, বার্গার, কুকিজ ইত্যাদি ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে। তাই এসব খাবার কমিয়ে স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করলে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ধীর হয়ে যেতে পারে।

উপকারী খাবারসমূহ

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা উপকারী হতে পারে। রঙিন ফল ও সবজি যেমন গাজর, টমেটো, ব্রকোলি, বিট ও কিউই শরীরের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন অন্তত পাঁচ রঙের ফল ও সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

উদ্ভিজ্জ প্রোটিন যেমন ডাল, কাঠবাদাম, চিয়া বীজ, সূর্যমুখী ও তিসির বীজ ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। হলুদের কারকিউমিন এবং রসুনের অ্যালিসিন প্রাকৃতিকভাবে ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

গ্রিন টি ও বেরি জাতীয় ফল শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা টিউমার গঠনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ব্রকলি ডিএনএ সুরক্ষায় সহায়ক এবং টমেটোর লাইকোপেন বিশেষ করে প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

কী এড়িয়ে চলা উচিত

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, অতিরিক্ত চিনি, ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবার শরীরে প্রদাহ বাড়াতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সূত্র: আনন্দবাজার

kalprakash.com/SS
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যান্সার প্রতিরোধে যেসব খাবার উপকারী

প্রকাশিত: ০৬:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ সম্পূর্ণভাবে খাদ্যাভ্যাস দিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও সঠিক ডায়েট মেনে চললে এর ঝুঁকি অনেকটা কমানো যায় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। স্ট্যানফোর্ড, জনস হপকিন্স এবং ভারতের আইসিএমআর-এর গবেষকদের মতে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে বলা হয় মেটাবলিক রিপ্রোগ্রামিং।

গবেষণায় দেখা যায়, ক্যান্সার কোষ দ্রুত বিভাজিত হয় এবং এর জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়। চিনি ও প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট যেমন পিৎজা, বার্গার, কুকিজ ইত্যাদি ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে। তাই এসব খাবার কমিয়ে স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করলে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ধীর হয়ে যেতে পারে।

উপকারী খাবারসমূহ

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা উপকারী হতে পারে। রঙিন ফল ও সবজি যেমন গাজর, টমেটো, ব্রকোলি, বিট ও কিউই শরীরের কোষকে সুরক্ষা দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন অন্তত পাঁচ রঙের ফল ও সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

উদ্ভিজ্জ প্রোটিন যেমন ডাল, কাঠবাদাম, চিয়া বীজ, সূর্যমুখী ও তিসির বীজ ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। হলুদের কারকিউমিন এবং রসুনের অ্যালিসিন প্রাকৃতিকভাবে ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

গ্রিন টি ও বেরি জাতীয় ফল শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা টিউমার গঠনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ব্রকলি ডিএনএ সুরক্ষায় সহায়ক এবং টমেটোর লাইকোপেন বিশেষ করে প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

কী এড়িয়ে চলা উচিত

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, অতিরিক্ত চিনি, ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবার শরীরে প্রদাহ বাড়াতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

সূত্র: আনন্দবাজার

kalprakash.com/SS