বাংলাদেশ ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ‘১৩ মিনিট শ্বাস আটকে রেখেও বেঁচে থাকতে পারি’ Logo নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রমে সম্মানি ও পারিতোষিকের হার পুনর্নির্ধারণ Logo ইউএইর ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন, পর্যটক ও প্রবাসীদের জন্য এলো ৬ নতুন সুবিধা Logo বদর যুদ্ধের আয়াত তেলাওয়াত, আলোচনা কূটনৈতিক বার্তা Logo ওমানে প্রবাসী বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের সঙ্গে দূতাবাসের মতবিনিময় সভা Logo হাওরের জন্য আগাম ধানের জাত উদ্ভাবনের কাজ চলছে: কৃষিমন্ত্রী Logo সার্টিফিকেটে নাম ও জন্ম তারিখ সংশোধন নিয়ে জরুরি নির্দেশনা বোর্ডের Logo সীমান্তে কথিত পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবি ও গ্রামবাসীর তৎপরতায় ব্যর্থ Logo প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভেঙে গেছে ব্রিজের সংযোগ সড়ক, স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে পিআইও Logo মোংলায় এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আততায়ীর হাতে প্রাণ হারানো মার্কিন প্রেসিডেন্টরা

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত চারজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। তারা হলেন আব্রাহাম লিঙ্কন (১৮৬৫), জেমস এ. গারফিল্ড (১৮৮১), উইলিয়াম ম্যাককিনলি (১৯০১) এবং জন এফ. কেনেডি (১৯৬৩)।

তবে ইতিহাসে আরও অনেক প্রেসিডেন্ট হত্যাচেষ্টা ও প্রাণঘাতী হামলার শিকার হয়েছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে এসব ঘটনা ঘটে।


আব্রাহাম লিঙ্কন (১৮৬৫)

১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল, গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন পর ওয়াশিংটনের ফোর্ডস থিয়েটারে নাটক দেখতে গিয়ে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন। জন উইলকস বুথ নামের এক অভিনেতা তার মাথার পেছনে গুলি করেন। পরদিন সকালে লিঙ্কন মারা যান। হত্যার পর পালিয়ে যাওয়া বুথ পরে সেনাদের অভিযানে নিহত হন।


জেমস এ. গারফিল্ড (১৮৮১)

১৮৮১ সালের ২ জুলাই ওয়াশিংটনে ট্রেন স্টেশনে প্রেসিডেন্ট গারফিল্ডকে গুলি করেন চার্লস গুইটো। তিনি ছিলেন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এক ব্যক্তি। গুলি লাগলেও তৎকালীন চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সংক্রমণে দীর্ঘ দুই মাস পর তার মৃত্যু হয়।


উইলিয়াম ম্যাককিনলি (১৯০১)

১৯০১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এক জনসভায় লিওন চোলগোস নামের এক নৈরাজ্যবাদী প্রেসিডেন্ট ম্যাককিনলিকে কাছ থেকে গুলি করেন। আট দিন পর গুলির জটিলতায় তার মৃত্যু হয়। হামলাকারী পরে ইলেকট্রিক চেয়ারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।


জন এফ. কেনেডি (১৯৬৩)

১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর টেক্সাসের ডালাসে মোটর শোভাযাত্রার সময় প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে গুলি করা হয়। লি হার্ভে অসওয়াল্ড নামের এক ব্যক্তি ছয়তলা ভবন থেকে গুলি চালান। ঘটনার দুই দিন পর তাকে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় হত্যা করা হয়।

কেনেডি হত্যাকাণ্ড ছিল টেলিভিশন যুগে সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ট্র্যাজেডিগুলোর একটি।


অন্যান্য হত্যাচেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে আরও অনেক প্রেসিডেন্ট হত্যাচেষ্টা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যান। অ্যান্ড্রু জ্যাকসন, থিওডোর রুজভেল্ট, ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট, হ্যারি ট্রুম্যান, জেরাল্ড ফোর্ড, রোনাল্ড রিগানসহ একাধিক প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন সময় হামলার শিকার হন বা পরিকল্পিত হামলা থেকে রক্ষা পান।


নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিবর্তন

ম্যাককিনলির হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং সিক্রেট সার্ভিসকে পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রেসিডেন্টদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে।


সূত্র: উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম

kalprakash.com/SS

রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
আততায়ীর হাতে প্রাণ হারানো মার্কিন প্রেসিডেন্টরা
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

‘১৩ মিনিট শ্বাস আটকে রেখেও বেঁচে থাকতে পারি’

আততায়ীর হাতে প্রাণ হারানো মার্কিন প্রেসিডেন্টরা

প্রকাশিত: ০১:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত চারজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। তারা হলেন আব্রাহাম লিঙ্কন (১৮৬৫), জেমস এ. গারফিল্ড (১৮৮১), উইলিয়াম ম্যাককিনলি (১৯০১) এবং জন এফ. কেনেডি (১৯৬৩)।

তবে ইতিহাসে আরও অনেক প্রেসিডেন্ট হত্যাচেষ্টা ও প্রাণঘাতী হামলার শিকার হয়েছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাবে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে এসব ঘটনা ঘটে।


আব্রাহাম লিঙ্কন (১৮৬৫)

১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল, গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন পর ওয়াশিংটনের ফোর্ডস থিয়েটারে নাটক দেখতে গিয়ে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন। জন উইলকস বুথ নামের এক অভিনেতা তার মাথার পেছনে গুলি করেন। পরদিন সকালে লিঙ্কন মারা যান। হত্যার পর পালিয়ে যাওয়া বুথ পরে সেনাদের অভিযানে নিহত হন।


জেমস এ. গারফিল্ড (১৮৮১)

১৮৮১ সালের ২ জুলাই ওয়াশিংটনে ট্রেন স্টেশনে প্রেসিডেন্ট গারফিল্ডকে গুলি করেন চার্লস গুইটো। তিনি ছিলেন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এক ব্যক্তি। গুলি লাগলেও তৎকালীন চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সংক্রমণে দীর্ঘ দুই মাস পর তার মৃত্যু হয়।


উইলিয়াম ম্যাককিনলি (১৯০১)

১৯০১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এক জনসভায় লিওন চোলগোস নামের এক নৈরাজ্যবাদী প্রেসিডেন্ট ম্যাককিনলিকে কাছ থেকে গুলি করেন। আট দিন পর গুলির জটিলতায় তার মৃত্যু হয়। হামলাকারী পরে ইলেকট্রিক চেয়ারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন।


জন এফ. কেনেডি (১৯৬৩)

১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর টেক্সাসের ডালাসে মোটর শোভাযাত্রার সময় প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে গুলি করা হয়। লি হার্ভে অসওয়াল্ড নামের এক ব্যক্তি ছয়তলা ভবন থেকে গুলি চালান। ঘটনার দুই দিন পর তাকে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় হত্যা করা হয়।

কেনেডি হত্যাকাণ্ড ছিল টেলিভিশন যুগে সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ট্র্যাজেডিগুলোর একটি।


অন্যান্য হত্যাচেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে আরও অনেক প্রেসিডেন্ট হত্যাচেষ্টা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যান। অ্যান্ড্রু জ্যাকসন, থিওডোর রুজভেল্ট, ফ্র্যাঙ্কলিন রুজভেল্ট, হ্যারি ট্রুম্যান, জেরাল্ড ফোর্ড, রোনাল্ড রিগানসহ একাধিক প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন সময় হামলার শিকার হন বা পরিকল্পিত হামলা থেকে রক্ষা পান।


নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিবর্তন

ম্যাককিনলির হত্যাকাণ্ডের পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং সিক্রেট সার্ভিসকে পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রেসিডেন্টদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে।


সূত্র: উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম

kalprakash.com/SS

রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
আততায়ীর হাতে প্রাণ হারানো মার্কিন প্রেসিডেন্টরা