গত জানুয়ারিতে ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপ নিয়ে আলোচনায় আসা কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান এবার নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক যুবককে প্রকাশ্যে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন ইউএনও।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের লুবানা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তার গ্যারেজকর্মী এক যুবককে ফুয়েল কার্ড ও টাকা দিয়ে মোটরসাইকেলের তেল আনতে পাঠান। ওই যুবক লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাকালে সেখানে তদারকিতে থাকা ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তার হাতে থাকা কার্ডটি পরীক্ষা করেন।
অভিযোগ রয়েছে, কার্ডের ছবির সঙ্গে যুবকের চেহারার মিল না পাওয়ায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই তাকে চড় মারেন ইউএনও। এ ঘটনায় সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পরে অসুস্থ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা যাচাইয়ের পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী যুবক বলেন, তিনি একটি গ্যারেজে কাজ করেন এবং মালিকের কথায় শিক্ষকের কার্ড নিয়ে তেল আনতে গিয়েছিলেন। তার দাবি, কোনো অপরাধ না করেও তাকে সবার সামনে থাপ্পড় মারা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান বলেন, তিনি কাউকে চড় মারেননি। শুধু মোটরসাইকেলের চাবি নিয়েছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই যুবকের কাছে সঠিক কার্ড না থাকায় নিয়ম অনুযায়ী পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরে অভিভাবকরা এলে চাবি ফেরত দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক অনুষ্ঠান আয়োজক তাকে ‘আপু’ বলে সম্বোধন করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানানোর অভিযোগে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহানের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।
kalprakash.com/SS
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















