বাংলাদেশ ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাগেরহাটে প্রচণ্ড গরমে এসএসসি কেন্দ্রে শিক্ষার্থী অসুস্থ, চিকিৎসার পর আবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ

ছবিঃ সংগৃহীত

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে তীব্র তাপদাহের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে এক শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।

উপজেলার এসিলাহা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রের ১০৯ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন শিলা রানী (বৃষ্টি) নামের ওই শিক্ষার্থী। তিনি বারইখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ সুতালড়ী এলাকার এইচ. এম. জে. কে. এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী, যা স্থানীয়ভাবে তেঁতুলবাড়িয়া হাই স্কুল নামে পরিচিত। তার পিতা স্বপন কুমার।

কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, শিলা রানীর আগে থেকেই অ্যালার্জিজনিত শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত গরম ও ধুলাবালির কারণে তার শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

ঘটনার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা দ্রুত তাকে নিকটবর্তী একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে আবার পরীক্ষাকেন্দ্রে ফিরিয়ে আনা হয়।

তবে অসুস্থতার কারণে তিনি পুরো সময় পরীক্ষা দিতে পারেননি। জানা গেছে, প্রায় ৩০ মিনিটের মতো সময় তিনি পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছেন।

শিক্ষার্থী শিলা রানী বলেন, আগে থেকেই আমার শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে। হঠাৎ গরম আর ধুলাবালির কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে স্যাররা ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কিছুটা সুস্থ হই এবং আবার পরীক্ষা দিই। প্রশ্ন সহজ ছিল, কিন্তু সময় কম পাওয়ায় সব লিখতে পারিনি। অতিরিক্ত সময়ও পাইনি।

স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, চলমান তাপপ্রবাহের কারণে পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিশুদ্ধ পানি, প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি বলে তারা মনে করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে প্রচণ্ড গরমে এসএসসি কেন্দ্রে শিক্ষার্থী অসুস্থ, চিকিৎসার পর আবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ

প্রকাশিত: ০৪:৫২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে তীব্র তাপদাহের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে এক শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।

উপজেলার এসিলাহা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রের ১০৯ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন শিলা রানী (বৃষ্টি) নামের ওই শিক্ষার্থী। তিনি বারইখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ সুতালড়ী এলাকার এইচ. এম. জে. কে. এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী, যা স্থানীয়ভাবে তেঁতুলবাড়িয়া হাই স্কুল নামে পরিচিত। তার পিতা স্বপন কুমার।

কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, শিলা রানীর আগে থেকেই অ্যালার্জিজনিত শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত গরম ও ধুলাবালির কারণে তার শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

ঘটনার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা দ্রুত তাকে নিকটবর্তী একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে আবার পরীক্ষাকেন্দ্রে ফিরিয়ে আনা হয়।

তবে অসুস্থতার কারণে তিনি পুরো সময় পরীক্ষা দিতে পারেননি। জানা গেছে, প্রায় ৩০ মিনিটের মতো সময় তিনি পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছেন।

শিক্ষার্থী শিলা রানী বলেন, আগে থেকেই আমার শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে। হঠাৎ গরম আর ধুলাবালির কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে স্যাররা ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কিছুটা সুস্থ হই এবং আবার পরীক্ষা দিই। প্রশ্ন সহজ ছিল, কিন্তু সময় কম পাওয়ায় সব লিখতে পারিনি। অতিরিক্ত সময়ও পাইনি।

স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, চলমান তাপপ্রবাহের কারণে পরীক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিশুদ্ধ পানি, প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি বলে তারা মনে করেন।