ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধকে অবৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারার লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছে তেহরান। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় যে অবরোধ আরোপ করেছে তা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
তিনি দাবি করেন, এটি ৮ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতিরও লঙ্ঘন, যার উদ্দেশ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক উত্তেজনা কমানো।
বাঘাই আরও বলেন, এই অবরোধ জাতিসংঘ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন এবং ১৯৭৪ সালের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৩৩১৪ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী এটি আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে কোনো দেশের বন্দর অবরোধকে স্পষ্টভাবে আগ্রাসন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল, কারণ এটি ইরানি জনগণের ওপর সমষ্টিগত শাস্তি আরোপ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ সামরিক পদক্ষেপের পর এই নৌ-অবরোধ ঘোষণা করে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ ও শিথিলতার ঘোষণা দেয়, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হিসেবে পরিচিত।
শুক্রবার অ-শত্রুভাবাপন্ন বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দিলেও পরদিন যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ অব্যাহত থাকায় ইরান আবারও বিধিনিষেধ পুনর্বহাল করে।
সূত্র: প্রেস টিভি
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 






















