বাংলাদেশ ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় জবি শিক্ষকের ওপর হামলা, আসামি কারাগারে Logo গাইবান্ধায় ছেলেকে নিয়োগ দিতে মাদ্রাসা সুপারের জালিয়াতির অভিযোগ Logo পিরোজপুরে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্টে এক জনের কারাদণ্ড Logo লাশের পরিবর্তে লাশ: আমার বাবার মরদেহের পরিচয় পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছিল ঘাতকরা Logo পিরোজপুরে সদর উপজেলা স্কাউটসের ৫ দিনব্যাপী মহা তাবু জলসা সম্পন্ন Logo নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১ Logo ছোট্ট মেহেরাবের চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক Logo পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি কেলেঙ্কারিতে আটক ১ Logo বড় ব্যবধানে জয়ী রুবেল, শেরপুর-৩ এ বিএনপির হাসি Logo বাগেরহাটে বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধায় ছেলেকে নিয়োগ দিতে মাদ্রাসা সুপারের জালিয়াতির অভিযোগ

নিজের ছেলে ও সভাপতির ভাগনাকে নিয়োগ দিতে জালিয়াতির মহোৎসবে মেতে উঠেছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বজরা কঞ্চিবাড়ী মজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুর রহমান।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কর্তৃক ম্যানেজিং কমিটি গঠনে নিয়োজিত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানেন না যে কমিটি গঠন করা হয়েছে। অথচ কমিটি গঠন দেখিয়ে নিয়োগও সম্পন্ন করা হয়েছে। আবার ডিজির প্রতিনিধি ছাড়া নিয়োগ কমিটির বাকি সদস্যরা জানেন না, তাঁরা নিয়োগ দিয়েছেন। অর্থাৎ তাঁদের স্বাক্ষরও জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় নিয়োগ বাতিল করার কথা ভাবছে মাদ্রাসা অধিদপ্তর। তবে সে জন্য অবশ্যই আগে লিখিত অভিযোগ দিতে হবে অধিদপ্তরে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনের জন্য প্রিসাইডিং কর্মকর্তার মনোনয়ন চেয়ে ওই মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুর রহমান গত বছরের ১৮ আগস্ট ইউএনও বরাবর আবেদন করেন। এরপর তৎকালীন ইউএনও রাজ কুমার বিশ্বাস ওই তারিখে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বেলাল হোসেনকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেন। পরে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেন ওই বছরের ৭ অক্টোবর।

এরপর সুপার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন ও জমা দেন। কমিটি গঠনে আর কোনো পদক্ষেপ নেননি সুপার। সে কারণে কমিটি করা সম্ভব হয়নি। অথচ ওই সুপার ম্যানেজিং কমিটি গঠিত দেখিয়ে পাঁচ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দৈনিক নয়াদিগন্ত ও স্থানীয় দৈনিক মাধুকর পত্রিকায় এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। পাঁচ পদের মধ্যে ঈদের আগের দিন গত ২০ মার্চ দুই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সুপারের ছেলেকে দেওয়া হয় অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে এবং সভাপতির ভাগনাকে দেওয়া হয় পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে। ইবতেদায়ি প্রধান শিক্ষক, ল্যাব সহকারী ও অফিস সহায়ক পদেও নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে।

এদিকে সুপার হয়ে নিজের ছেলেকে নিয়োগ দিতে আইনি জটিলতার কারণে মাদ্রাসার সহকারী সুপার মো. গোলজার রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব দিয়ে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। নিয়োগ কমিটির পাঁচ সদস্যের মধ্যে ডিজির প্রতিনিধি ছাড়া বাকি সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়গুলো জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে কথা হয় নিয়োগ কমিটির সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি সুমন্ত চন্দ্র বর্মণের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমিও শুনেছি, আমাকে নিয়োগ কমিটির সদস্য করা হয়েছে। এর বেশি কিছু জানি না।

নিয়োগ কমিটির আরেক সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেন, বিধি মোতাবেক কমিটি গঠন হওয়ার কথা, কিন্তু সে নিয়মে হয়নি। হলে আমরা জানতাম। লোকমুখে শুনেছি সুপার গোপনে কমিটি গঠন করেছেন এবং নিয়োগ দিয়েছেন। আমরা এ কমিটি মানি না এবং মানবও না।

তিনি আরও বলেন, আমাকে শিক্ষক প্রতিনিধি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, কিন্তু আমি কিছুই জানি না। নিয়োগ পরীক্ষা কোথায় বা কবে হয়েছে, তাও জানি না। কোনো স্বাক্ষরও দিইনি।

মাদ্রাসার সহকারী সুপার মাওলানা মো. গোলজার রহমান বলেন, আমার জানামতে এ প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়নি। প্রিসাইডিং অফিসার ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বেলাল হোসেনও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সুপার নিজের ছেলেকে নিয়োগ দিতে আইনি জটিলতা এড়াতে এ জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন বলে শুনেছি।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কমিটি হয়েছে। তবে নিয়োগ বিষয়ে প্রশ্ন করলে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন এবং পরে আর ফোন রিসিভ করেননি।

অভিযুক্ত ভুয়া কমিটির সভাপতি ও ধর্মপুর আবদুল জব্বার ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আলহাজ মো. ইব্রাহিম আলী সরকারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

ম্যানেজিং কমিটি গঠনে নিয়োজিত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বেলাল হোসেন বলেন, তফসিল ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী ধাপ সুপার সম্পন্ন করেননি। ফলে ম্যানেজিং কমিটি গঠন হয়নি। শুনেছি, ভুয়া কমিটি বানিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগ কমিটির সদস্য ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের অতিরিক্ত দায়িত্বে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান বলেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে নিয়োগ দিতে বলেছিলাম। এখন শুনছি কমিটিই নাকি হয়নি। প্রমাণিত হলে নিয়োগও টিকবে না। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদ্রাসা অধিদপ্তরের ডিজি প্রতিনিধি মো. জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদার বলেন, ওই মাদ্রাসায় দুটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কমিটি কীভাবে হয়েছে তা আমাদের জানা নেই। তবে অবৈধ কমিটি হলে অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় জবি শিক্ষকের ওপর হামলা, আসামি কারাগারে

গাইবান্ধায় ছেলেকে নিয়োগ দিতে মাদ্রাসা সুপারের জালিয়াতির অভিযোগ

প্রকাশিত: ০৬:১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

নিজের ছেলে ও সভাপতির ভাগনাকে নিয়োগ দিতে জালিয়াতির মহোৎসবে মেতে উঠেছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বজরা কঞ্চিবাড়ী মজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুর রহমান।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কর্তৃক ম্যানেজিং কমিটি গঠনে নিয়োজিত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জানেন না যে কমিটি গঠন করা হয়েছে। অথচ কমিটি গঠন দেখিয়ে নিয়োগও সম্পন্ন করা হয়েছে। আবার ডিজির প্রতিনিধি ছাড়া নিয়োগ কমিটির বাকি সদস্যরা জানেন না, তাঁরা নিয়োগ দিয়েছেন। অর্থাৎ তাঁদের স্বাক্ষরও জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় নিয়োগ বাতিল করার কথা ভাবছে মাদ্রাসা অধিদপ্তর। তবে সে জন্য অবশ্যই আগে লিখিত অভিযোগ দিতে হবে অধিদপ্তরে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনের জন্য প্রিসাইডিং কর্মকর্তার মনোনয়ন চেয়ে ওই মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুর রহমান গত বছরের ১৮ আগস্ট ইউএনও বরাবর আবেদন করেন। এরপর তৎকালীন ইউএনও রাজ কুমার বিশ্বাস ওই তারিখে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বেলাল হোসেনকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেন। পরে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেন ওই বছরের ৭ অক্টোবর।

এরপর সুপার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন ও জমা দেন। কমিটি গঠনে আর কোনো পদক্ষেপ নেননি সুপার। সে কারণে কমিটি করা সম্ভব হয়নি। অথচ ওই সুপার ম্যানেজিং কমিটি গঠিত দেখিয়ে পাঁচ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দৈনিক নয়াদিগন্ত ও স্থানীয় দৈনিক মাধুকর পত্রিকায় এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। পাঁচ পদের মধ্যে ঈদের আগের দিন গত ২০ মার্চ দুই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। সুপারের ছেলেকে দেওয়া হয় অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে এবং সভাপতির ভাগনাকে দেওয়া হয় পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে। ইবতেদায়ি প্রধান শিক্ষক, ল্যাব সহকারী ও অফিস সহায়ক পদেও নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে।

এদিকে সুপার হয়ে নিজের ছেলেকে নিয়োগ দিতে আইনি জটিলতার কারণে মাদ্রাসার সহকারী সুপার মো. গোলজার রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব দিয়ে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। নিয়োগ কমিটির পাঁচ সদস্যের মধ্যে ডিজির প্রতিনিধি ছাড়া বাকি সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়গুলো জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে কথা হয় নিয়োগ কমিটির সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি সুমন্ত চন্দ্র বর্মণের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমিও শুনেছি, আমাকে নিয়োগ কমিটির সদস্য করা হয়েছে। এর বেশি কিছু জানি না।

নিয়োগ কমিটির আরেক সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধি মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেন, বিধি মোতাবেক কমিটি গঠন হওয়ার কথা, কিন্তু সে নিয়মে হয়নি। হলে আমরা জানতাম। লোকমুখে শুনেছি সুপার গোপনে কমিটি গঠন করেছেন এবং নিয়োগ দিয়েছেন। আমরা এ কমিটি মানি না এবং মানবও না।

তিনি আরও বলেন, আমাকে শিক্ষক প্রতিনিধি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, কিন্তু আমি কিছুই জানি না। নিয়োগ পরীক্ষা কোথায় বা কবে হয়েছে, তাও জানি না। কোনো স্বাক্ষরও দিইনি।

মাদ্রাসার সহকারী সুপার মাওলানা মো. গোলজার রহমান বলেন, আমার জানামতে এ প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়নি। প্রিসাইডিং অফিসার ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বেলাল হোসেনও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সুপার নিজের ছেলেকে নিয়োগ দিতে আইনি জটিলতা এড়াতে এ জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন বলে শুনেছি।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার মো. শহিদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কমিটি হয়েছে। তবে নিয়োগ বিষয়ে প্রশ্ন করলে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন এবং পরে আর ফোন রিসিভ করেননি।

অভিযুক্ত ভুয়া কমিটির সভাপতি ও ধর্মপুর আবদুল জব্বার ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আলহাজ মো. ইব্রাহিম আলী সরকারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

ম্যানেজিং কমিটি গঠনে নিয়োজিত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বেলাল হোসেন বলেন, তফসিল ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী ধাপ সুপার সম্পন্ন করেননি। ফলে ম্যানেজিং কমিটি গঠন হয়নি। শুনেছি, ভুয়া কমিটি বানিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগ কমিটির সদস্য ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের অতিরিক্ত দায়িত্বে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান বলেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে নিয়োগ দিতে বলেছিলাম। এখন শুনছি কমিটিই নাকি হয়নি। প্রমাণিত হলে নিয়োগও টিকবে না। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদ্রাসা অধিদপ্তরের ডিজি প্রতিনিধি মো. জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদার বলেন, ওই মাদ্রাসায় দুটি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কমিটি কীভাবে হয়েছে তা আমাদের জানা নেই। তবে অবৈধ কমিটি হলে অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।