মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | দুপুর ২:০০:১৪

নফল নামাজের জামাত, তারাবি ও রোজা—সমকালীন কিছু মাসায়েল

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২০
শেয়ার: mail
নফল নামাজের জামাত, তারাবি ও রোজা—সমকালীন কিছু মাসায়েল

সংগৃহীত ছবি

ইসলামে কিয়ামুল লাইল একটি গুরুত্বপূর্ণ নফল ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। তবে নফল ইবাদতের মূল বিধান হলো—এগুলো একাকী আদায় করা উত্তম। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের যুগে নিয়মিতভাবে নফল নামাজ জামাতে আদায়ের প্রচলন ছিল না। যদিও কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনায় অল্পসংখ্যক সাহাবি স্বতঃস্ফূর্তভাবে জামাতে অংশ নিয়েছিলেন, তবে তা ছিল অনিয়মিত ও পূর্বপরিকল্পনাবিহীন।

ফুকাহায়ে কেরাম এ বিষয়ে কিছু নীতিমালা নির্ধারণ করেছেন। পূর্বঘোষণা ছাড়া কেউ নফল নামাজ পড়লে দু-একজন অনুসরণ করতে পারলেও নিয়মিত জামাতে নফল আদায় করা মাকরুহ। মুক্তাদির সংখ্যা বাড়লে এর অপছন্দনীয়তা আরও বৃদ্ধি পায় এবং পরিকল্পিতভাবে নফল জামাত আয়োজন করা সর্বাবস্থায় মাকরুহ হিসেবে বিবেচিত। তাই নফল নামাজ জামাতে পড়াকে উৎসাহিত করা শরিয়তসম্মত নয়।

রমজানে কোরআন খতমের জন্য তারাবির জামাতই যথেষ্ট। এটি মসজিদে হওয়া বাধ্যতামূলক নয়; ভিন্ন ভিন্ন স্থানেও আদায় করা যায়। এজন্য আলাদা করে তাহাজ্জুদের জামাত করার প্রয়োজন নেই।

তারাবি নামাজ একটি নির্দিষ্ট ইবাদত, যার জন্য আলাদা নিয়ত জরুরি। তাই কিয়ামুল লাইলের জামাতে অংশ নিয়ে তারাবির নিয়তে নামাজ আদায় করলে তা তারাবি হিসেবে গণ্য হবে না; বরং নফল হিসেবেই গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে তারাবি পূর্ণ করতে হলে পৃথকভাবে তা আদায় করতে হবে।

অন্যদিকে, প্রবাসে রোজা শুরু করে দেশে ফিরে আসার ফলে রোজার সংখ্যা কমবেশি হলে নির্ধারিত দেশের হিসাব অনুযায়ী রোজা পূর্ণ করতে হবে। ফলে কারও রোজা ৩০-এর বেশি হয়ে গেলেও অতিরিক্ত রোজা রাখা তার ওপর ওয়াজিব হবে এবং তা পরিত্যাগের সুযোগ নেই।

লেখক: প্রধান মুফতি ও শাইখুল হাদিস, জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া

kalprakash.com/SS

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ | Globe kalprakash.com

নফল নামাজের জামাত, তারাবি ও রোজা—সমকালীন কিছু মাসায়েল

বিস্তারিত কমেন্টে