তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় প্রধান ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার দিল্লির আন্দোলন থেকে আটক হয়েছেন আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শনিবার (১০ অক্টোবর) ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে দিল্লির রাজপথ থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে হেফাজতে নিয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীজুড়ে ২০ হাজারের বেশি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
এনডিটিভি বলছে, এই বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর অংশ হিসেবে দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার গেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব স্টেশনের মধ্যে রয়েছে রাজীব চক, নয়াদিল্লি, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, প্যাটেল চক ও কাশ্মীরি গেট।
‘জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ’
দিল্লিতে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ধরপাকড়ের সমালোচনা করে কেজরিওয়াল বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি জরুরি অবস্থার সময়ের চেয়েও খারাপ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই সিজেপি নেতাদের আটক করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর ভয়ের প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
কেজরিওয়ালের ভাষায়, দেশ এখন মোদির নেতৃত্বাধীন ‘স্বৈরাচারী শাসনের’ মধ্যে রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভোট চুরির মাধ্যমে নির্বাচনে জয়ের পর নিজেদের অবস্থান রক্ষা করতে সরকার গণতন্ত্রকে দমন করতে চাইছে।
kalprakash.com/IM