নাটোরে আট বছর বয়সী এক শিশুর হাতের আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত কনস্টেবল শাকিল নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত। তিনি নাটোর শহরের বড়হরিশপুর পশ্চিম চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় আহত শিশুটির পরিবারের বাসার দ্বিতীয় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আলী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বড়হরিশপুর পশ্চিম চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বায়েজিদ (৮) নামে শিশুটির সঙ্গে অভিযুক্ত শাকিলের মেয়ের খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া হয়। এর জেরে শিশুটিকে নিজের কক্ষে নিয়ে গিয়ে তার ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কনস্টেবল শাকিলের বিরুদ্ধে।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় বায়েজিদকে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত কনস্টেবল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।