বিশ্বে যখন পরবর্তী প্রজন্মের নেটওয়ার্ক নিয়ে নানা গবেষণা ও প্রস্তুতি চলছে, তখন অনেক অঞ্চলে এখনো নিয়মিত মোবাইল নেটওয়ার্কের পূর্ণ সুবিধাই মিলছে না। ফলে দুর্বল সিগন্যাল, ঘন ঘন কল ড্রপ, অস্পষ্ট ভয়েস এবং ধীরগতির ইন্টারনেটের মতো সমস্যায় পড়তে হয় ব্যবহারকারীদের।
তবে এসব সমস্যার জন্য কেবল মোবাইল অপারেটরকে দায়ী করলেই চলবে না; অনেক সময় ফোনের ত্রুটিপূর্ণ সেটিংস, পুরোনো সিমকার্ড কিংবা পারিপার্শ্বিক অবস্থানের কারণেও সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে। দুর্বল নেটওয়ার্কের সমস্যা কাটিয়ে ওঠার কার্যকর কিছু উপায় নিচে তুলে ধরা হলো:
-
এয়ারপ্লেন মোড অন-অফ করুন: নেটওয়ার্কে সমস্যা দেখা দিলে ফোনের ‘এয়ারপ্লেন মোড’ চালু করে অন্তত ১০ থেকে ২০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। এরপর তা বন্ধ করে দিলে ফোনটি নিকটস্থ মোবাইল টাওয়ারের সঙ্গে নতুন করে সংযোগ স্থাপন করে, যা সিগন্যালের মান বাড়াতে সাহায্য করে।
-
ফোন রিস্টার্ট দিন: ডিভাইসে কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড ত্রুটি বা নেটওয়ার্ক কনফ্লিক্ট থাকলে ফোন একবার রিস্টার্ট (বন্ধ করে চালু) করা যেতে পারে। ডিভাইস নতুন করে চালু হলে কাছাকাছি শক্তিশালী টাওয়ারের সাথে দ্রুত কানেক্ট হতে পারে।
-
নেটওয়ার্ক মোড পরিবর্তন: সব এলাকায় ফাইভ-জি বা ফোর-জি সিগন্যাল সমান শক্তিশালী থাকে না। সিগন্যাল আপ-ডাউন করলে ফোনের সেটিংস থেকে নেটওয়ার্ক মোড ‘Auto’-এর বদলে নির্দিষ্ট ফোর-জি বা প্রয়োজন অনুযায়ী থ্রি-জি সিলেক্ট করে নিলে কল ড্রপের সমস্যা অনেকটাই দূর হয়।
-
সিমকার্ড পরিষ্কার রাখা: দীর্ঘদিনের ব্যবহারে সিমকার্ডের সংযোগস্থলে ধুলাবালু জমতে পারে। এ ক্ষেত্রে ফোন বন্ধ করে সিম ট্রে থেকে সিম বের করে নরম ও শুকনো কাপড় দিয়ে হালকা করে পরিষ্কার করে পুনরায় সঠিকভাবে প্রতিস্থাপন করুন।
-
অবস্থান পরিবর্তন: বড় অট্টালিকা, লিফট, বেজমেন্ট কিংবা ঘন কংক্রিটের দেয়ালঘেরা কক্ষে নেটওয়ার্ক সিগন্যাল সহজেই বাধাগ্রস্ত হয়। এমন পরিস্থিতিতে রুমের জানালার পাশে, বারান্দায় কিংবা উন্মুক্ত স্থানে এলে ভালো সিগন্যাল পাওয়া যায়।
উপরের সাধারণ পদক্ষেপগুলো অনুসরণের পরও যদি দীর্ঘ সময় নির্দিষ্ট স্থানে একই সমস্যা থাকে, তবে সরাসরি সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করে অভিযোগ জানানো উচিত।
kalprakash.com/IM