ঈদের ছুটিতে যখন অধিকাংশ সরকারি অফিস কার্যত বন্ধ এবং কর্মজীবীরা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে উৎসব উদযাপনে ব্যস্ত, ঠিক তখনই চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে থেমে থাকেনি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২৪ ঘণ্টা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলার মগধরা, মুছাপুর, বাউরিয়া ও আমানউল্যা ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে ঈদের ছুটির মধ্যেও চিকিৎসা ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা চালু রাখা হয়। এ সময় বাউরিয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে একটি সফল নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জমজ সন্তানের জন্ম হয়। ডেলিভারিটি সম্পন্ন করেন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নওমি আমরীন।
এছাড়াও অন্যান্য কেন্দ্রগুলোতে আরও তিনটি নরমাল ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে। শুধু ডেলিভারি সেবাই নয়, এ সময় মোট ২৫ জন গর্ভবতী নারীকে গর্ভকালীন সেবা এবং ৫ জনকে প্রসবপরবর্তী সেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আগত দম্পতিদের মাঝে অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কেও সেবা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হোসাইন বলেন, “ঈদের ছুটিতে অন্যান্য কার্যক্রম সীমিত থাকলেও জনগণের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে অধিদফতরের নির্দেশনায় চারটি ইউনিয়নে ২৪ ঘণ্টা স্বাস্থ্যসেবা চালু রাখা হয়েছে।”
স্থানীয়দের মতে, ঈদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমন উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সেবাকে আরও মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 











