কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলামের বদলির আদেশ কার্যকর না হওয়াকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় এক সংসদ সদস্যের ছেলের তদবিরে তাঁর বদলির আদেশ স্থগিত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, কক্সবাজারে বদলির আদেশ জারির পরও তিনি দাউদকান্দিতেই দায়িত্ব পালন করছেন। সূত্রটির আরও দাবি, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে স্থানীয় এক সংসদ সদস্যের ছেলের তদবিরে এ বদলি কার্যকর হয়নি। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রামাণ্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, জাহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করেছেন। তাঁদের দাবি, তাঁর আগের কর্মস্থল কুমিল্লার লালমাই উপজেলাতেও তিনি আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করেছেন। তবে এসব অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমাকে এখানে দায়িত্ব পালনের উপযোগী মনে করেছেন বলেই রেখেছেন। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই আরও ভালো বলতে পারবেন।
এ বিষয়ে জানতে কুমিল্লা জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মফিজ উদ্দিনকে একাধিকবার ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে কল করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কিছু কর্মকর্তা, স্থানীয় বাসিন্দা ও ঠিকাদারদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, সরকারি বদলির আদেশ জারির পরও কীভাবে একজন কর্মকর্তা আগের কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগগুলো সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।
kalprakash.com/IM