বাংলাদেশ ০১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo দেবিদ্বারে বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল, শহীদদের স্মরণে দোয়া Logo হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজে ভারতীয় নাবিক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা Logo জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত ৯০ দিনে উন্নীত করতে সরকারের পরিকল্পনা Logo দুই বছরে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, ৯১ বার সমন্বয়ের পর এখন কোন পর্যায়ে বাজার? Logo চেক ডিজঅনার মামলায় জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান Logo নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ধাপ চূড়ান্ত নয়, সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা Logo নবম জাতীয় পে স্কেলে ইনক্রিমেন্টে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব, নিম্ন গ্রেডে বাড়তে পারে সুবিধা Logo ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা, উৎসবে মেতেছে বুয়েন্স আয়ার্স ও রোজারিও Logo গ্রিন কার্ডে নতুন শর্ত বিবেচনায় ট্রাম্প প্রশাসন, লাগতে পারে জামানত Logo লিওনেল মেসির পুরো নাম কী? জানুন নামের শেষ অংশের ইতিহাস

স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা, তদন্ত প্রতিবেদন জানতে চাইল আদালত

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক শহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অগ্রগতি সম্পর্কে দুদকের কাছে জানতে চেয়েছেন আদালত। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করেছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঠাকুরগাঁওয়ের উপসহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের দাখিল করা লিখিত ব্যাখ্যা থেকে জানা গেছে, সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করা হয়। তবে মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামিপক্ষের দায়ের করা পৃথক দুটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সব কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। ফলে তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে এবং আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা সম্ভব হয়নি।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০ মার্চ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত শহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেন। মামলাগুলোর নম্বর ০৩/২০২৩ ও ০৬/২০২৪। আদালতের ওই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ জুন বিস্তারিত লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করা হয়।

লিখিত ব্যাখ্যায় বলা হয়, প্রথম মামলাটি ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঠাকুরগাঁও থেকে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় দায়ের করা হয়। মামলার আসামি শহিদুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে একই পদে কর্মরত রয়েছেন।

মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছিলেন। তবে তদন্ত চলাকালে শহিদুল ইসলাম মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২৪ সালের ৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নম্বর-৩১০/২০২৪ দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি শেষে একই বছরের ১৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগ রুল জারি করেন এবং স্পেশাল মামলা নম্বর-০৩/২০২৩-এর সব কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ও ৩১ জুলাই ২০২৪ তারিখে পৃথক নির্দেশনায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের আদেশ অনুসরণ করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

অপরদিকে, দ্বিতীয় মামলাটি ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর একই আইনে দায়ের করা হয়। মামলাটি ০৬/২০২৪ নম্বরে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। দ্বিতীয় মামলার তদন্তও স্বাভাবিক নিয়মে চলছিল। পরে কামরুন নাহার মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নম্বর-১৫০৫৮/২০২৪ দায়ের করেন। এরপর থেকে দ্বিতীয় মামলার তদন্ত কার্যক্রমও স্থগিত রয়েছে।

লিখিত ব্যাখ্যায় আরও উল্লেখ করা হয়, দুটি মামলার বর্তমান অবস্থা নিয়মিতভাবে মাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদনের মাধ্যমে দুদকের প্রধান কার্যালয়কে জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি চলতি বছরের ৩১ মার্চ দুদকের মহাপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড প্রসিকিউশন) বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে হাইকোর্টে বিচারাধীন স্থগিত মামলাগুলোর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে প্রয়োজনীয় আইনগত উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

হাইকোর্টে দায়ের করা রিটগুলোর নিষ্পত্তি এবং কমিশনের অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলেও ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মচারী শহিদুল ইসলাম সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে সরকারি কাজে অধিগ্রহণের জন্য নির্ধারিত জমি কম দামে কিনে পরে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় উচ্চমূল্যে বিক্রি করতেন। এ ছাড়া টিসিবির পণ্যের অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

তাঁদের দাবি, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তিনি কয়েক কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং শহরে একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। হঠাৎ বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে এসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

এ বিষয়ে মামলার দুই আসামি শহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী কামরুন নাহারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আসামিপক্ষের দায়ের করা রিটের কারণে তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

দুদকের আইনজীবী এমএম অ্যাডভোকেট সফিউজ্জামান সুমন বলেন, মামলাগুলোর তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা হলেই পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

kalprakash.com/IM

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবিদ্বারে বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল, শহীদদের স্মরণে দোয়া

স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা, তদন্ত প্রতিবেদন জানতে চাইল আদালত

প্রকাশিত: ০১:২২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক শহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অগ্রগতি সম্পর্কে দুদকের কাছে জানতে চেয়েছেন আদালত। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করেছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঠাকুরগাঁওয়ের উপসহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের দাখিল করা লিখিত ব্যাখ্যা থেকে জানা গেছে, সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করা হয়। তবে মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামিপক্ষের দায়ের করা পৃথক দুটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর সব কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। ফলে তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে এবং আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা সম্ভব হয়নি।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০ মার্চ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত শহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেন। মামলাগুলোর নম্বর ০৩/২০২৩ ও ০৬/২০২৪। আদালতের ওই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ জুন বিস্তারিত লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করা হয়।

লিখিত ব্যাখ্যায় বলা হয়, প্রথম মামলাটি ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঠাকুরগাঁও থেকে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় দায়ের করা হয়। মামলার আসামি শহিদুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে একই পদে কর্মরত রয়েছেন।

মামলার দায়িত্ব পাওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছিলেন। তবে তদন্ত চলাকালে শহিদুল ইসলাম মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২৪ সালের ৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নম্বর-৩১০/২০২৪ দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি শেষে একই বছরের ১৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগ রুল জারি করেন এবং স্পেশাল মামলা নম্বর-০৩/২০২৩-এর সব কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ও ৩১ জুলাই ২০২৪ তারিখে পৃথক নির্দেশনায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে হাইকোর্টের আদেশ অনুসরণ করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

অপরদিকে, দ্বিতীয় মামলাটি ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর একই আইনে দায়ের করা হয়। মামলাটি ০৬/২০২৪ নম্বরে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। দ্বিতীয় মামলার তদন্তও স্বাভাবিক নিয়মে চলছিল। পরে কামরুন নাহার মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নম্বর-১৫০৫৮/২০২৪ দায়ের করেন। এরপর থেকে দ্বিতীয় মামলার তদন্ত কার্যক্রমও স্থগিত রয়েছে।

লিখিত ব্যাখ্যায় আরও উল্লেখ করা হয়, দুটি মামলার বর্তমান অবস্থা নিয়মিতভাবে মাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদনের মাধ্যমে দুদকের প্রধান কার্যালয়কে জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি চলতি বছরের ৩১ মার্চ দুদকের মহাপরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড প্রসিকিউশন) বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে হাইকোর্টে বিচারাধীন স্থগিত মামলাগুলোর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে প্রয়োজনীয় আইনগত উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

হাইকোর্টে দায়ের করা রিটগুলোর নিষ্পত্তি এবং কমিশনের অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে বলেও ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মচারী শহিদুল ইসলাম সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে সরকারি কাজে অধিগ্রহণের জন্য নির্ধারিত জমি কম দামে কিনে পরে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় উচ্চমূল্যে বিক্রি করতেন। এ ছাড়া টিসিবির পণ্যের অর্থ আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

তাঁদের দাবি, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তিনি কয়েক কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং শহরে একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। হঠাৎ বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে এসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

এ বিষয়ে মামলার দুই আসামি শহিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী কামরুন নাহারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আসামিপক্ষের দায়ের করা রিটের কারণে তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

দুদকের আইনজীবী এমএম অ্যাডভোকেট সফিউজ্জামান সুমন বলেন, মামলাগুলোর তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা হলেই পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

kalprakash.com/IM