বাংলাদেশ ১০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo দেবিদ্বারে বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল, শহীদদের স্মরণে দোয়া Logo হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজে ভারতীয় নাবিক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা Logo জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত ৯০ দিনে উন্নীত করতে সরকারের পরিকল্পনা Logo দুই বছরে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, ৯১ বার সমন্বয়ের পর এখন কোন পর্যায়ে বাজার? Logo চেক ডিজঅনার মামলায় জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান Logo নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ধাপ চূড়ান্ত নয়, সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা Logo নবম জাতীয় পে স্কেলে ইনক্রিমেন্টে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব, নিম্ন গ্রেডে বাড়তে পারে সুবিধা Logo ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা, উৎসবে মেতেছে বুয়েন্স আয়ার্স ও রোজারিও Logo গ্রিন কার্ডে নতুন শর্ত বিবেচনায় ট্রাম্প প্রশাসন, লাগতে পারে জামানত Logo লিওনেল মেসির পুরো নাম কী? জানুন নামের শেষ অংশের ইতিহাস

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা, উৎসবে মেতেছে বুয়েন্স আয়ার্স ও রোজারিও

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: ০৭:০২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • 20

ফুটবলপাগল শহরের কথা উঠলে বুয়েন্স আয়ার্স ও রোজারিওর নাম সবার আগে আসে। সেন্ট্রাল বনাম নিউয়েলসের ম্যাচ ঘিরে যে অনন্য আবেগ দেখা যায়, বুধবার আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ম্যাচেও ঠিক তেমনই উন্মাদনায় মেতে ওঠে রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্স ও লিওনেল আন্দ্রেস মেসির জন্মভূমি রোজারিও।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলা প্রতিদিনের ঘটনা নয়। আর প্রতিপক্ষ যখন ইংল্যান্ড, তখন এর গুরুত্ব আর্জেন্টাইনদের কাছে আরও বেড়ে যায়। আটলান্টায় এনজো ফের্নান্দেজের দুর্দান্ত শট এবং লাওতারো মার্টিনেজের নাটকীয় হেডে লিওনেল স্কালোনির দল রোমাঞ্চকর প্রত্যাবর্তন করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে নিশ্চিত করে ফাইনাল।

আর্জেন্টিনার এই জয় ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয়ের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে। ম্যাচে ১০ নম্বর জার্সিধারী লিওনেল মেসি দুটি অ্যাসিস্ট করেন। এর মাধ্যমে তিনি তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার সুযোগ পেলেন।

মার্কিন রেফারি ইসমাইল এলফাথ শেষ বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গেই আর্জেন্টিনাজুড়ে শুরু হয় উদযাপন। অনেকেই ছুটে যান রোজারিওর ঐতিহাসিক ফ্ল্যাগ মনুমেন্টে, যা মেসি ও তাঁর সতীর্থদের জয় উদযাপনের অন্যতম কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে।

সেখানে যাওয়ার পথে গাড়ির হর্নের ছন্দময় শব্দ যেন উৎসবেরই অংশ হয়ে ওঠে। রাস্তায় আর্জেন্টিনার পতাকা বা জার্সি পরা কাউকে দেখলেই মনে হচ্ছিল, সবাই যেন একই পরিবারের সদস্য। কে রোজারিও সেন্ট্রালের সমর্থক, কে নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের; কে বোকা জুনিয়র্স, আর কে রিভার প্লেটের সমর্থক—এসব পরিচয় ছাপিয়ে সবার পরিচয় ছিল একটাই, আর্জেন্টিনা।

বুধবার কর্মদিবস হওয়া সত্ত্বেও গভীর রাত পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন চত্বর ও অলিগলি ছিল উৎসবমুখর। এখন সবার অপেক্ষা বিশ্বকাপের সেই মহারণের, যা রোববার নিউইয়র্কে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। আর্জেন্টাইনদের বিশ্বাস, মাঠে ১১ জন খেললেও তাদের সঙ্গে খেলবে দেশের ৪ কোটিরও বেশি মানুষের স্বপ্ন ও আবেগ।

সূত্র: টিওয়াইসি স্পোর্টস

kalprakash.com/IM

জনপ্রিয় সংবাদ

দেবিদ্বারে বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল, শহীদদের স্মরণে দোয়া

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা, উৎসবে মেতেছে বুয়েন্স আয়ার্স ও রোজারিও

প্রকাশিত: ০৭:০২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ফুটবলপাগল শহরের কথা উঠলে বুয়েন্স আয়ার্স ও রোজারিওর নাম সবার আগে আসে। সেন্ট্রাল বনাম নিউয়েলসের ম্যাচ ঘিরে যে অনন্য আবেগ দেখা যায়, বুধবার আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ম্যাচেও ঠিক তেমনই উন্মাদনায় মেতে ওঠে রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্স ও লিওনেল আন্দ্রেস মেসির জন্মভূমি রোজারিও।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলা প্রতিদিনের ঘটনা নয়। আর প্রতিপক্ষ যখন ইংল্যান্ড, তখন এর গুরুত্ব আর্জেন্টাইনদের কাছে আরও বেড়ে যায়। আটলান্টায় এনজো ফের্নান্দেজের দুর্দান্ত শট এবং লাওতারো মার্টিনেজের নাটকীয় হেডে লিওনেল স্কালোনির দল রোমাঞ্চকর প্রত্যাবর্তন করে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে নিশ্চিত করে ফাইনাল।

আর্জেন্টিনার এই জয় ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয়ের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে। ম্যাচে ১০ নম্বর জার্সিধারী লিওনেল মেসি দুটি অ্যাসিস্ট করেন। এর মাধ্যমে তিনি তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার সুযোগ পেলেন।

মার্কিন রেফারি ইসমাইল এলফাথ শেষ বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গেই আর্জেন্টিনাজুড়ে শুরু হয় উদযাপন। অনেকেই ছুটে যান রোজারিওর ঐতিহাসিক ফ্ল্যাগ মনুমেন্টে, যা মেসি ও তাঁর সতীর্থদের জয় উদযাপনের অন্যতম কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে।

সেখানে যাওয়ার পথে গাড়ির হর্নের ছন্দময় শব্দ যেন উৎসবেরই অংশ হয়ে ওঠে। রাস্তায় আর্জেন্টিনার পতাকা বা জার্সি পরা কাউকে দেখলেই মনে হচ্ছিল, সবাই যেন একই পরিবারের সদস্য। কে রোজারিও সেন্ট্রালের সমর্থক, কে নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের; কে বোকা জুনিয়র্স, আর কে রিভার প্লেটের সমর্থক—এসব পরিচয় ছাপিয়ে সবার পরিচয় ছিল একটাই, আর্জেন্টিনা।

বুধবার কর্মদিবস হওয়া সত্ত্বেও গভীর রাত পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন চত্বর ও অলিগলি ছিল উৎসবমুখর। এখন সবার অপেক্ষা বিশ্বকাপের সেই মহারণের, যা রোববার নিউইয়র্কে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। আর্জেন্টাইনদের বিশ্বাস, মাঠে ১১ জন খেললেও তাদের সঙ্গে খেলবে দেশের ৪ কোটিরও বেশি মানুষের স্বপ্ন ও আবেগ।

সূত্র: টিওয়াইসি স্পোর্টস

kalprakash.com/IM