বাংলাদেশ ০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিলি, ৬.৮ মাত্রার কম্পনে আতঙ্ক

সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির উত্তরের আন্তোফাগাস্তা অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কালামা শহরের দক্ষিণে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে। কম্পনটি আশপাশের বিভিন্ন এলাকাতেও অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের পর চিলির হাইড্রোগ্রাফিক ও ওশেনোগ্রাফিক সার্ভিস জানায়, এই কম্পনের ফলে সুনামির কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি। ফলে উপকূলীয় এলাকায় কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থানের কারণে চিলিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। নাজকা ও দক্ষিণ আমেরিকান টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে দেশটিতে নিয়মিত ভূকম্পন দেখা যায়।

উল্লেখ্য, চিলির ইতিহাসে ১৯৬০ সালে ভালদিভিয়ায় ৯.৫ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়া ২০১০ সালে ৮.৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প ও সুনামিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।

সূত্র: আনাদোলু

kalprakash.com/SS

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিলি, ৬.৮ মাত্রার কম্পনে আতঙ্ক

প্রকাশিত: ১২:৪০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির উত্তরের আন্তোফাগাস্তা অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কালামা শহরের দক্ষিণে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে। কম্পনটি আশপাশের বিভিন্ন এলাকাতেও অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের পর চিলির হাইড্রোগ্রাফিক ও ওশেনোগ্রাফিক সার্ভিস জানায়, এই কম্পনের ফলে সুনামির কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি। ফলে উপকূলীয় এলাকায় কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থানের কারণে চিলিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। নাজকা ও দক্ষিণ আমেরিকান টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে দেশটিতে নিয়মিত ভূকম্পন দেখা যায়।

উল্লেখ্য, চিলির ইতিহাসে ১৯৬০ সালে ভালদিভিয়ায় ৯.৫ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়া ২০১০ সালে ৮.৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প ও সুনামিতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।

সূত্র: আনাদোলু

kalprakash.com/SS