ছাত্র ফেডারেশনের রাজনীতি করার সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বর্তমান মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ল্যাপটপ চুরি করেছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, এরপর নাসীরুদ্দীন বহিষ্কার হন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের রাজনীতি করা অবস্থায় ২০১৯ সালে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ চুরি করেছিলেন। ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে ছাত্র ফেডারেশনের তৎকালীন দায়িত্বশীল নেতারা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটি সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আনা ল্যাপটপ চুরির অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় বলে তিনি দাবি করেন। এর ভিত্তিতে তখন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ছাত্র ফেডারেশন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

নিজের দাবির সপক্ষে রাশেদ খাঁন ওই পোস্টের মন্তব্যঘরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বহিষ্কারসংক্রান্ত বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের একটি পুরোনো নোটিশের ছবি দিয়েছেন।
রাশেদ খাঁন দাবি করেন, সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত প্রায় সবাই বিষয়টি জানতেন। ল্যাপটপ চুরির কারণে বহিষ্কৃত হয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বেশ কিছুদিন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। দীর্ঘ সময় পর এবি পার্টিতে যোগ দিয়ে কিছুটা সক্রিয় হন। তবে এবি পার্টির নেতাকর্মীরা ল্যাপটপ চুরির ঘটনা জানতেন না বলে দাবি করেন তিনি। রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, জানলে হয়তো তাঁরাও তাঁকে দলে নিতেন না। গণ-অভ্যুত্থান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কের সুবাদেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সুযোগ পেয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর তীব্র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী লেখেন, ‘ছাত্র রাজনীতিতে যার হাতেখড়ি ল্যাপটপ চুরি দিয়ে আর জাতীয় রাজনীতিতে ছাগল চুরি দিয়ে, সেই চোর নাসীর কীভাবে এত ন্যায়নীতির বয়ান আওড়ায়?’
kalprakash.com/IM