জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সরকারপ্রধানের এই সফরকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। নিউইয়র্ক থেকে শুরু করে ভার্জিনিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এখন সফরের প্রস্তুতিমূলক নানা তৎপরতা চলছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সফরটি ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরা জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সফর সফল করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো ধারাবাহিকভাবে কর্মীসভা ও প্রস্তুতিমূলক বৈঠক করছে। বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হচ্ছে স্বাগত মিছিল। কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা এসব কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নেতাকর্মীদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি ইতোমধ্যে নিউ ইংল্যান্ড বিএনপিতে কর্মীসভা করেছি। সেখানে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে।
যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আবু সাইদ আহমদ জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তিনি যখন জেএফকে বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন, তখন দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও বিপুলসংখ্যক সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশি তাকে স্বাগত জানাতে সমবেত হবেন।
নেতাকর্মীরা জানান, বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সফরকালে প্রধানমন্ত্রী যেখানেই অবস্থান করবেন, সেখানেই তাকে সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। কেবল সংবর্ধনাই নয়, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের দিন বিশাল শান্তি সমাবেশের ডাক দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির নিউজার্সি নর্থের সভাপতি সৈয়দ জুবায়ের আলী বলেন, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকার জন্য নিউজার্সি থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সামনে শান্তি সমাবেশে যোগ দিতে নিউজার্সি থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেবেন। এছাড়া ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও প্রবাসীদের উপস্থিতি থাকবে চোখে পড়ার মতো।
তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে প্রবাসী নেতাকর্মীদের মাঝে যে উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে, তা কেবল একটি দলীয় অভ্যর্থনা নয়; বরং নতুন বাংলাদেশের প্রতি প্রবাসীদের অবিচল আস্থারই এক বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
kalprakash.com/IM