পণ্য খালাস ও অপসারণে অনিয়ম এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আদেশটি রোববার সকালে বেনাপোল স্থলবন্দর কার্যালয়ে এসে পৌঁছায়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্কেল-২-এর দায়িত্ব পালনকালে গত ২ জুন কাস্টমস হাউস বেনাপোলের একটি ম্যানিফেস্টের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্য চালানের কায়িক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এতে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য শনাক্ত হয়। অভিযোগ রয়েছে, পণ্যগুলো স্থলবন্দরের জিম্মায় থাকা অবস্থায় তা পরিবর্তন করে অবৈধভাবে অপসারণের অপচেষ্টা করা হয়েছিল।
আদেশে আরও বলা হয়, গত ৪ জুন বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডের সুরক্ষিত চাবি ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালাল শেড ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর না করে অন্য এক ব্যক্তির কাছে দেন। পরবর্তীতে ৬ জুন রাতে ওই শেডে কয়েকজনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পণ্য স্থানান্তরের অভিযোগ ওঠে। এমনকি ওই শেডের একটি চাবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে সংরক্ষিত থাকার বিষয়টিও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়। এর আগে একই অভিযোগে ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালালকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কাজী রতনের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ২০০৪-এর বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় বিভাগীয় মামলার তদন্ত চলাকালে তাকে দায়িত্বে বহাল রাখা সমীচীন নয়। তাই বিধি মোতাবেক কাজী রতনকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকালে তিনি বিধিমোতাবেক খোরাকি ভাতা প্রাপ্য হবেন।
kalprakash.com/IM