মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৯ সফর, ১৪৪৮ | ভোর ৪:৩২:৫৭

ভারতে আড়াই বছর সাজাভোগের পর দেশে ফিরলেন ৫ বাংলাদেশি নারী

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৭
শেয়ার: mail
ভারতে আড়াই বছর সাজাভোগের পর দেশে ফিরলেন ৫ বাংলাদেশি নারী

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

উন্নত জীবনের আশায় দালালের প্রলোভনে পড়ে অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে দীর্ঘ আড়াই বছর কারাভোগের পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন পাঁচ বাংলাদেশি নারী।

মঙ্গলবার ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় ভারতের হরিদাসপুর চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় ইমিগ্রেশন ও বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন এবং বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ)-এর কাছে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে।

স্বদেশে ফেরত আসা নারীরা হলেন—বাগেরহাট জেলার শিমু আক্তার ও শারমিন খাতুন, টাঙ্গাইল জেলার পাপিয়া বাদশা, যশোর জেলার লাভলী খাতুন এবং নড়াইল জেলার রোজিনা খাতুন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মুম্বাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের নির্দেশনাক্রম এবং ভারতের মুম্বাইস্থ এফআরআরও কর্তৃক প্রদত্ত ট্রাভেল পারমিট ও ‘লিভ ইন্ডিয়া নোটিশ’-এর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী নারীরা ভালো কাজের প্রলোভনে দালালের খপ্পরে পড়ে কোনো প্রকার বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সীমান্ত অতিক্রম করেন। পরবর্তীতে ভারতের পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে আদালতের নির্দেশে প্রায় আড়াই বছর কারাভোগ করেন। দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ আইনি যোগাযোগের মাধ্যমে অবশেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে তাঁরা স্বদেশে ফেরার সুযোগ পান। ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে আইনি সহযোগিতার জন্য তাঁদের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর মুহিত চৌধুরী জানান, ফেরত আসা নারীদের সাময়িকভাবে যশোরে সংস্থার নিজস্ব শেল্টার হোমে রাখা হবে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করা হবে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward