বাংলাদেশ ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্য অবাস্তব: অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা

নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা

আগামী ২০২৭ অর্থবছরের জন্য সরকারের প্রস্তাবিত ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য অর্জনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অন্তত ৪২ শতাংশ হতে হবে, যা বাস্তবসম্মত নয়।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনারে এ মন্তব্য করা হয়।

অর্থনীতিবিদরা বলেন, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল ২০১১ অর্থবছরে ২৭.৩ শতাংশ। সেই রেকর্ড অর্জন সম্ভব হলেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থেকে যাবে।

তাদের হিসাব অনুযায়ী, গত ২৫ বছরের গড় রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১৩.২ থেকে ১৪.১ শতাংশ হওয়ায় বাস্তব পরিস্থিতিতে ঘাটতি আরও বেড়ে প্রায় ১.৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।

অর্থনীতিবিদরা আরও বলেন, রাজনৈতিক বা বিশেষ বিবেচনায় দেওয়া কর ছাড় ও রেয়াত কমানো, নতুন রাজস্ব উৎস তৈরি, বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং কাঠামোগত সংস্কার জোরদার করা জরুরি।

এছাড়া প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সুরক্ষায় লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি ব্যবস্থা, সহজ শর্তে বিদেশি ঋণ ও অনুদান বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্য অবাস্তব: অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা

প্রকাশিত: ০২:১৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

আগামী ২০২৭ অর্থবছরের জন্য সরকারের প্রস্তাবিত ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য অর্জনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অন্তত ৪২ শতাংশ হতে হবে, যা বাস্তবসম্মত নয়।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনারে এ মন্তব্য করা হয়।

অর্থনীতিবিদরা বলেন, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল ২০১১ অর্থবছরে ২৭.৩ শতাংশ। সেই রেকর্ড অর্জন সম্ভব হলেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থেকে যাবে।

তাদের হিসাব অনুযায়ী, গত ২৫ বছরের গড় রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১৩.২ থেকে ১৪.১ শতাংশ হওয়ায় বাস্তব পরিস্থিতিতে ঘাটতি আরও বেড়ে প্রায় ১.৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।

অর্থনীতিবিদরা আরও বলেন, রাজনৈতিক বা বিশেষ বিবেচনায় দেওয়া কর ছাড় ও রেয়াত কমানো, নতুন রাজস্ব উৎস তৈরি, বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং কাঠামোগত সংস্কার জোরদার করা জরুরি।

এছাড়া প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সুরক্ষায় লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকি ব্যবস্থা, সহজ শর্তে বিদেশি ঋণ ও অনুদান বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

kalprakash.com/SS