বাংলাদেশে আবারও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে হাম। একদিনে একাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পর হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়ে গেছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় অভিভাবকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।
রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে জ্বর ও র্যাশ নিয়ে শিশু ভর্তি হচ্ছে। শুরুতে অনেক অভিভাবক এসব উপসর্গকে সাধারণ অ্যালার্জি বা ত্বকের সমস্যা মনে করে অবহেলা করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, শিশুরা আসলে হাম আক্রান্ত।
হাম রোগীর সংখ্যা বাড়ায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তবে অনেক পরিবারকে অতিরিক্ত পরীক্ষার খরচ বহন করতে হচ্ছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।
চিকিৎসকদের মতে, অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে হাম বেশি জটিল আকার ধারণ করতে পারে। তাই সময়মতো টিকা গ্রহণ এবং প্রয়োজন হলে বুস্টার ডোজ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, শিশুর জ্বর, শরীরে র্যাশ বা চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
তাদের পরামর্শ, টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে টিকার সুরক্ষা গড়ে উঠতে সময় লাগে। তাই এ সময় অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকা জরুরি।
চিকিৎসকরা আরও বলেন, টিকার ঘাটতি বা ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা থাকলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে, তাই এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 

























