বাংলাদেশ ০১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ইরান যুদ্ধের মধ্যেও স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহে অস্ট্রেলিয়া–দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতা

ছবি : রয়টার্স

প্রায় দুই মাস ধরে চলমান ইরান সংঘাতের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। তবে এই অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও যৌথভাবে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া।

বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়, দুই দেশ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে আগাম সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ডিজেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল সফরকালে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও হরমুজ প্রণালির অস্থিতিশীলতার প্রভাব এশিয়ার দেশগুলোতে তুলনামূলকভাবে বেশি পড়ছে। তিনি আরও জানান, অস্ট্রেলিয়ার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অংশীদার। দেশটি থেকে অস্ট্রেলিয়া বড় পরিমাণে ডিজেল ও জেট ফুয়েল আমদানি করে।

অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-এর সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী দেশ অস্ট্রেলিয়া। দুই দেশই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল বলে মন্তব্য করেন পেনি ওং।

তিনি খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এই সময়ে এমন সহযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

kalprakash.com/SS

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধের মধ্যেও স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহে অস্ট্রেলিয়া–দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতা
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধের মধ্যেও স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহে অস্ট্রেলিয়া–দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতা

প্রকাশিত: ০৫:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

প্রায় দুই মাস ধরে চলমান ইরান সংঘাতের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। তবে এই অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও যৌথভাবে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া।

বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়, দুই দেশ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে আগাম সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ডিজেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল সফরকালে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও হরমুজ প্রণালির অস্থিতিশীলতার প্রভাব এশিয়ার দেশগুলোতে তুলনামূলকভাবে বেশি পড়ছে। তিনি আরও জানান, অস্ট্রেলিয়ার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অংশীদার। দেশটি থেকে অস্ট্রেলিয়া বড় পরিমাণে ডিজেল ও জেট ফুয়েল আমদানি করে।

অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-এর সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী দেশ অস্ট্রেলিয়া। দুই দেশই একে অপরের ওপর নির্ভরশীল বলে মন্তব্য করেন পেনি ওং।

তিনি খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এই সময়ে এমন সহযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

kalprakash.com/SS

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধের মধ্যেও স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহে অস্ট্রেলিয়া–দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতা