বাংলাদেশ ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭ Logo অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান: শীর্ষ জুয়ারীসহ গ্রেফতার ১৫ Logo লামায় থামছেই না অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম, প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় জনমনে ক্ষোভ Logo রাস্তার পাশে ছোট্ট কুটিরে বৃদ্ধ দম্পতির মানবেতর জীবন Logo তেজগাঁও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল Logo গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট Logo নবনিযুক্ত কুবি উপাচার্যকে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের শুভেচ্ছা Logo নওগাঁ সদর উপজেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন, আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য সচিব সবুর Logo পাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম Logo স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, দম্পতির ওপর হামলা

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদ ইসলামের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত: ০৪:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • 27

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার কিংবা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

নাহিদ ইসলাম বলেন, তিনি রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শোনেননি বা পড়েননি এবং সেই বক্তব্য দেওয়ার সুযোগকেও প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার ভাষায়, এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রয়োজন এবং তাকে গ্রেপ্তার করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, দুদকের কমিশনার থাকাকালে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতু দুর্নীতির অভিযোগে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেওয়া এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা বাতিলের মতো দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

সংসদে বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংক লুণ্ঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং জুলাই গণহত্যার সময়ও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন একজন ব্যক্তিকে এখনো রাষ্ট্রপতির পদে রাখা দেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি তাকে দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ ও মিথ্যুক আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন।

এ সময় তিনি দেশের রাজনৈতিক বিভাজনের বিষয়েও কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন জামায়াতের সঙ্গে রাজনীতি করেছে, কিন্তু এখন রাজনৈতিক সুবিধামতো অবস্থান পরিবর্তন করা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ বিভাজন থাকা কাম্য নয়। তার ভাষায়, মুক্তিযুদ্ধ দেশের ভিত্তি হলেও মুক্তিযুদ্ধের নামে লুটপাট ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার ঘটনাও ভুলে গেলে চলবে না। তিনি দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল মুক্তিযুদ্ধেরই নবায়ন এবং জনগণকে বিভক্ত করার রাজনীতি পরিহার করে সবাইকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৭

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদ ইসলামের

প্রকাশিত: ০৪:৫৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার কিংবা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

নাহিদ ইসলাম বলেন, তিনি রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শোনেননি বা পড়েননি এবং সেই বক্তব্য দেওয়ার সুযোগকেও প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার ভাষায়, এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ প্রয়োজন এবং তাকে গ্রেপ্তার করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, দুদকের কমিশনার থাকাকালে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা, পদ্মা সেতু দুর্নীতির অভিযোগে আওয়ামী লীগকে ক্লিনচিট দেওয়া এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা বাতিলের মতো দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

সংসদে বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংক লুণ্ঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং জুলাই গণহত্যার সময়ও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন একজন ব্যক্তিকে এখনো রাষ্ট্রপতির পদে রাখা দেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি তাকে দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ ও মিথ্যুক আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন।

এ সময় তিনি দেশের রাজনৈতিক বিভাজনের বিষয়েও কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি দীর্ঘদিন জামায়াতের সঙ্গে রাজনীতি করেছে, কিন্তু এখন রাজনৈতিক সুবিধামতো অবস্থান পরিবর্তন করা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ বিভাজন থাকা কাম্য নয়। তার ভাষায়, মুক্তিযুদ্ধ দেশের ভিত্তি হলেও মুক্তিযুদ্ধের নামে লুটপাট ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার ঘটনাও ভুলে গেলে চলবে না। তিনি দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল মুক্তিযুদ্ধেরই নবায়ন এবং জনগণকে বিভক্ত করার রাজনীতি পরিহার করে সবাইকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

kalprakash.com/SS