বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
বগুড়া-৬ আসনে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯টি নির্বাচনী এলাকায় ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান উভয় আসনে জয়লাভের পর বগুড়া-৬ আসনটি ত্যাগ করলে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে। এরপর উপ-নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়।
এই আসনের উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আবিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একজন প্রার্থী ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৫০টি ভোটকেন্দ্র ও ৮৩৫টি ভোটকক্ষে মোট চার লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
অন্যদিকে শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতী-শ্রীবরদী) আসনের নির্বাচনের জন্য জামায়াতে ইসলামের প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে ভোট আট দিন আগে বাতিল করা হয়েছিল। পরে নতুন তফসিল অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।
শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেল ধানের শীষ প্রতীকে, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) এক প্রার্থী কাঁচি প্রতীকে নির্বাচন করছেন। ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭৫১টি ভোটকক্ষে মোট চার লাখ ৯ হাজার ৮০৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
kalprakash.com/SS
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















