বাংলাদেশ ০৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বিহারের গভর্নর আরিফ মোহাম্মদ খান ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার

বিহারের গভর্নর ও ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরিফ মোহাম্মদ খান ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন। তাঁর এই নিয়োগ শুধু বাংলাদেশেই নয়, পুরো ভারতীয় উপমহাদেশে একটি বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনীতিতে ৪০ বছর ধরে সক্রিয় আরিফ মোহাম্মদ খান ছাত্রকাল থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। কংগ্রেসসহ একাধিক কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী এবং পরে বিজেপিতে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি বিহারের গভর্নরের দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর খ্যাতি মূলত ১৯৮৫ সালে শাহ বানু মামলায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় থাকার সময় তাঁর প্রগতিশীল অবস্থানের কারণে। লোকসভায় তিনি শাহ বানুর পক্ষে বক্তব্য দেন, যা কংগ্রেস সরকারের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক ছিল। এর ফলে তিনি মন্ত্রিসভা ও কংগ্রেস ত্যাগ করেন। এরপরও তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ভারত সরকার এখন তাঁকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পাঠাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের উচ্চপ্রোফাইল রাজনীতিককে হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত করা ভারতের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এবং কূটনৈতিক মর্যাদা বজায় রাখার জন্য এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে আরিফ মোহাম্মদ খানের পদমর্যাদা সম্ভবত ভারতের কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রী পর্যায়ের সমমানের হবে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক মহলে এই নিয়োগের প্রভাব এবং কারণ নিয়ে গবেষণা ও বিশ্লেষণ চলছে।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

বিহারের গভর্নর আরিফ মোহাম্মদ খান ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার

প্রকাশিত: ০১:৪৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

বিহারের গভর্নর ও ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরিফ মোহাম্মদ খান ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন। তাঁর এই নিয়োগ শুধু বাংলাদেশেই নয়, পুরো ভারতীয় উপমহাদেশে একটি বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনীতিতে ৪০ বছর ধরে সক্রিয় আরিফ মোহাম্মদ খান ছাত্রকাল থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। কংগ্রেসসহ একাধিক কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী এবং পরে বিজেপিতে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি বিহারের গভর্নরের দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর খ্যাতি মূলত ১৯৮৫ সালে শাহ বানু মামলায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় থাকার সময় তাঁর প্রগতিশীল অবস্থানের কারণে। লোকসভায় তিনি শাহ বানুর পক্ষে বক্তব্য দেন, যা কংগ্রেস সরকারের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক ছিল। এর ফলে তিনি মন্ত্রিসভা ও কংগ্রেস ত্যাগ করেন। এরপরও তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ভারত সরকার এখন তাঁকে ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে পাঠাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের উচ্চপ্রোফাইল রাজনীতিককে হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত করা ভারতের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এবং কূটনৈতিক মর্যাদা বজায় রাখার জন্য এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকায় হাইকমিশনার হিসেবে আরিফ মোহাম্মদ খানের পদমর্যাদা সম্ভবত ভারতের কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রী পর্যায়ের সমমানের হবে। বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক মহলে এই নিয়োগের প্রভাব এবং কারণ নিয়ে গবেষণা ও বিশ্লেষণ চলছে।

kalprakash.com/SS