অ্যান্ডি উইয়ারের বেস্টসেলার উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের নজর কেড়েছে। ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলারের পরিচালনায় নির্মিত সিনেমাটি গত ২০ মার্চ মুক্তি পায় এবং বাংলাদেশেও স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রদর্শিত হচ্ছে।
সম্প্রতি অ্যান্ডি উইয়ারের মেয়েকে নিয়ে সিনেমাটি দেখার পর এটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। মূলত মানবসভ্যতাকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানোর এক মরিয়া মহাকাশ মিশনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সিনেমার কাহিনি।
গল্পে দেখা যায়, ‘অ্যাস্ট্রোফেজ’ নামের এক ধরনের ভিনগ্রহের অণুজীব সূর্যের শক্তি শোষণ করে পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় নাসা ড. রিল্যান্ড গ্রেস নামের এক জীববিজ্ঞানীকে মহাকাশে পাঠায়। দীর্ঘ কোমা থেকে জেগে উঠে তিনি ধীরে ধীরে তার মিশনের উদ্দেশ্য বুঝতে পারেন। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন রায়ান গসলিং।
মহাকাশে গ্রেসের সঙ্গে ‘রকি’ নামের এক ভিনগ্রহের প্রাণীর সাক্ষাৎ ঘটে, যার সঙ্গে গড়ে ওঠে এক অনন্য বন্ধুত্ব। দুই ভিন্ন গ্রহের প্রাণীর এই সহযোগিতাই গল্পকে এগিয়ে নেয় নতুন মাত্রায়।
দৃশ্যমানতা, ভিএফএক্স এবং বৈজ্ঞানিক উপস্থাপনার দিক থেকে সিনেমাটি দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। অনেকেই এর সঙ্গে ‘ইন্টারস্টেলার’-এর কারিগরি মিল খুঁজে পেয়েছেন। সমালোচকদের মতে, জটিল বৈজ্ঞানিক বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপন এবং টানটান গল্প বলার দক্ষতায় ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ সমসাময়িক সময়ের অন্যতম সেরা সায়েন্স ফিকশন সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।
kalprakash.com/SS
বিনোদন ডেস্ক 





















