বাংলাদেশ ০১:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

ক্যান্সার ধরা পড়ার পর লন্ডনে চিকিৎসা ও লড়াই: নায়ক আলমগীরের জীবনের গল্প

সংগৃহীত ছবি

বাংলা চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনেতা আলমগীর পারিবারিক, সামাজিক, অ্যাকশন, রোমান্টিক, ফোক ও ফ্যান্টাসি—সব ধরনের সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রযোজক, পরিচালক ও গায়ক হিসেবেও ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন।

১৯৯০ সালে তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে, যা তার জীবনের এক কঠিন সময় ছিল। সম্প্রতি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি সেই অভিজ্ঞতার কথা নতুন করে তুলে ধরেন।

আলমগীর জানান, ক্যান্সার ধরা পড়ার পর তিনি প্রায় আট মাস লন্ডনে চিকিৎসা নেন। দীর্ঘ চিকিৎসা ও মানসিক শক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে তিনি এই মারণব্যাধিকে জয় করতে সক্ষম হন।

তিনি বলেন, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা একসময় নিজেদের অসহায় মনে করেন। এই রোগ জয় করতে হলে প্রয়োজন প্রবল মানসিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস।

এই কঠিন সময়েও তিনি নিজের সহকর্মী ও ক্যান্সার আক্রান্ত অন্যদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন বলে জানান।

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি যুগের এই নায়ক শুধু অভিনয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, প্রযোজনা, পরিচালনা ও সংগীতেও রেখেছেন বিশেষ অবদান।

ব্যক্তিজীবনে তিনি একজন গর্বিত বাবা। তার মেয়ে আঁখি আলমগীর দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হলেও, তিনি মেয়েকে চিকিৎসক হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।

১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল জন্ম নেওয়া আলমগীর পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে ২৩০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এবং ৯ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৩ সালে ‘আমার জন্মভূমি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিষেক ঘটে।

kalprakash.com/SS

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
ক্যান্সার ধরা পড়ার পর লন্ডনে চিকিৎসা ও লড়াই: নায়ক আলমগীরের জীবনের গল্প
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যান্সার ধরা পড়ার পর লন্ডনে চিকিৎসা ও লড়াই: নায়ক আলমগীরের জীবনের গল্প

প্রকাশিত: ০৫:১৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলা চলচ্চিত্রের বরেণ্য অভিনেতা আলমগীর পারিবারিক, সামাজিক, অ্যাকশন, রোমান্টিক, ফোক ও ফ্যান্টাসি—সব ধরনের সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি প্রযোজক, পরিচালক ও গায়ক হিসেবেও ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন।

১৯৯০ সালে তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে, যা তার জীবনের এক কঠিন সময় ছিল। সম্প্রতি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি সেই অভিজ্ঞতার কথা নতুন করে তুলে ধরেন।

আলমগীর জানান, ক্যান্সার ধরা পড়ার পর তিনি প্রায় আট মাস লন্ডনে চিকিৎসা নেন। দীর্ঘ চিকিৎসা ও মানসিক শক্তির মাধ্যমে ধীরে ধীরে তিনি এই মারণব্যাধিকে জয় করতে সক্ষম হন।

তিনি বলেন, ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা একসময় নিজেদের অসহায় মনে করেন। এই রোগ জয় করতে হলে প্রয়োজন প্রবল মানসিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাস।

এই কঠিন সময়েও তিনি নিজের সহকর্মী ও ক্যান্সার আক্রান্ত অন্যদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন বলে জানান।

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি যুগের এই নায়ক শুধু অভিনয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, প্রযোজনা, পরিচালনা ও সংগীতেও রেখেছেন বিশেষ অবদান।

ব্যক্তিজীবনে তিনি একজন গর্বিত বাবা। তার মেয়ে আঁখি আলমগীর দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হলেও, তিনি মেয়েকে চিকিৎসক হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।

১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল জন্ম নেওয়া আলমগীর পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে ২৩০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এবং ৯ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৩ সালে ‘আমার জন্মভূমি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিষেক ঘটে।

kalprakash.com/SS

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
ক্যান্সার ধরা পড়ার পর লন্ডনে চিকিৎসা ও লড়াই: নায়ক আলমগীরের জীবনের গল্প