অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারাকে টেকসই করার লক্ষ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো গ্রহণ করেছে সরকার। এর আওতায় ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে দেশের ২২টি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির অংশগ্রহণে আয়োজিত ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন-২০২৬ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য এ কৌশলকে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে একটি নতুন ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর জন্য শুধু প্রবৃদ্ধির পরিমাণ বাড়ালেই হবে না। এর পাশাপাশি উৎপাদন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহার ও জনগণের ম্যান্ডেটকে একটি সুনির্দিষ্ট পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামোতে রূপ দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর মাধ্যমে সবার জন্য বাংলাদেশ বিনির্মাণের দার্শনিক ভিত্তি যেমন রয়েছে, তেমনি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণ ও টেকসই সমৃদ্ধির যাত্রায় সরকার ৩আর কৌশল গ্রহণ করেছে। কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের একটি সমৃদ্ধ অর্থনীতি হিসেবে গড়ে তোলা। ভঙ্গুর অবস্থায় থাকা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং অর্থনীতিকে স্বাভাবিক গতিতে ফিরিয়ে আনা এই কৌশলের মূল লক্ষ্য।’
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী। স্বাগত বক্তা ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এ ছাড়া ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুস শাহীদ মিয়াসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের সভাপতি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
kalprakash.com/IM