মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ৯ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | রাত ৩:২৭:১৪
শিরোনাম
অনলাইন জুয়ার সাম্রাজ্যে কোটিপতি নাজিম, নিঃস্ব হচ্ছেন এলাকার তরুণরা কয়েকদিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ মঙ্গলবার রাজধানীর কয়েক এলাকায় ৫ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওঠেন, সকালে মিলল যুবকের মরদেহ রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুলের রিমান্ড হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসায় বড় অঙ্কের অর্থ দিলেন মেসি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে শুরুতে ফাহাদকে সন্দেহ করেনি পরিবার অনলাইন জুয়ার সাম্রাজ্যে কোটিপতি নাজিম, নিঃস্ব হচ্ছেন এলাকার তরুণরা কয়েকদিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ মঙ্গলবার রাজধানীর কয়েক এলাকায় ৫ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওঠেন, সকালে মিলল যুবকের মরদেহ রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুলের রিমান্ড হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসায় বড় অঙ্কের অর্থ দিলেন মেসি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে শুরুতে ফাহাদকে সন্দেহ করেনি পরিবার

বছরের পর বছর অব্যবহৃত ২৪ ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৫
শেয়ার: mail
বছরের পর বছর অব্যবহৃত ২৪ ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

দেশের মহাসড়কগুলোর পাশে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা ২৪টি ট্রমা সেন্টার দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। একই সঙ্গে দেশব্যাপী ২৪ ঘণ্টার অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্ক চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন পড়ে থাকা এসব প্রতিষ্ঠান আধুনিকায়ন করে অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্ট সেন্টার নামে চালু করা হবে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য লজিস্টিকস নিশ্চিত করে ২৪টি কেন্দ্রেই পর্যায়ক্রমে চিকিৎসাসেবা চালু করা হবে।

গত ১২ আগস্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক বৈঠকে এসব কেন্দ্র চালুর বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে বিদ্যমান ২৪টি ট্রমা সেন্টারের নাম পরিবর্তন করে অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্ট সেন্টার নামকরণের সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক ও মহাসড়কের পাশের খালি জায়গায় প্রকল্পের মাধ্যমে অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি ট্রিটমেন্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী এক্স-রে মেশিন, অ্যাম্বুলেন্স ও যন্ত্রপাতির সংস্থান স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুমোদিত বাজেট থেকে নির্বাহ করতে হবে বলেও বৈঠকে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের পাশে বিভিন্ন সময়ে এই ২৪টি ট্রমা সেন্টার চালু করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল আহতদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় এনে প্রাণহানি কমানো। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রশাসনিক অনুমোদন না থাকায় বছরের পর বছর ধরে এসব সেন্টার অব্যবহৃত পড়ে আছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের পাশে ২০০৪-০৫ অর্থবছরে ১০টি ও ২০১০ সালে আরও ১৪টি ট্রমা সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এগুলোর মধ্যে মাত্র দুটিতে সীমিত পরিসরে বহির্বিভাগ চালু রয়েছে। একটি সংশ্লিষ্ট জেলা হাসপাতালের অর্থোপেডিকস বিভাগের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিশেষ করে মাথা, বুক, মেরুদণ্ড ও হাড়ে গুরুতর আঘাত পাওয়া রোগীর দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এগুলো নির্মাণ করা হয়। তিনতলা ভবনে ২০ শয্যার আইসিইউ ও ৪০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

এমনই একটি কেন্দ্র সিরাজগঞ্জ সদরের মুলিবাড়ি ট্রমা সেন্টার। ঢাকা-রাজশাহী-রংপুর মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের তাৎক্ষণিক সেবা দিতে ২০২০ সালে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হয়। ছয় বছর অব্যবহৃত থাকার পর গত কোরবানির ঈদের সময় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের সেবা দিতে ২১ মে থেকে ১৪ দিনের জন্য অস্থায়ীভাবে কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছিল। পরে এটি আবার বন্ধ হয়ে যায়।

পাবনার আটঘরিয়া, বগুড়ার শেরপুর, সিরাজগঞ্জ সদর ও উল্লাপাড়া, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, গোপালগঞ্জ সদর, মাদারীপুরের শিবচর, মানিকগঞ্জের শিবালয়, শরীয়তপুরের জাজিরা, ফরিদপুরের ভাঙ্গা (মধুখালী), মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর, ঢাকার ধামরাই, টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, হাটহাজারী ও রাউজান, কুমিল্লার দাউদকান্দি, ময়মনসিংহের ভালুকা, সুনামগঞ্জের ছাতক এবং হবিগঞ্জের বাহুবলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এসব কেন্দ্র অবস্থিত।

মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ট্রমা সেন্টারে সাতজন কনসালট্যান্ট, তিনজন অর্থোপেডিক সার্জন, দুজন অ্যানেসথেটিস্ট ও দুজন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তাসহ মোট ১৪ জন চিকিৎসক থাকার কথা ছিল। এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে ১০ জন নার্সের পাশাপাশি ফার্মাসিস্ট, রেডিওগ্রাফার ও অন্যান্য টেকনিশিয়ান থাকার কথা ছিল। তবে কোনো কেন্দ্রেই প্রস্তাবিত জনবল কাঠামো অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “মহাসড়কগুলোকে কেন্দ্র করে আমরা চব্বিশটি ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। খুব দ্রুতই এগুলোকে অ্যাকসিডেন্ট অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সেন্টার হিসেবে রূপান্তর করা হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এটিকে আমাদের নিয়মিত স্বাস্থ্যব্যবস্থার (হেলথ সিস্টেম) একটি টেকসই অংশ হিসেবে পরিচালনা করার লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।”

সূত্র: বাসস

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

বছরের পর বছর অব্যবহৃত ২৪ ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ

বিস্তারিত কমেন্টে