শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ | ২৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৬ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | রাত ১১:২৪:৩৮
শিরোনাম
● সেপ্টেম্বরে অর্থনীতির গতি কমেছে, সংকোচনে শিল্প-সেবা ও নির্মাণ খাত ● পারিবারিক সহিংসতা রোধে পুলিশের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর নির্দেশ পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের ● চীনের আপত্তির মধ্যেই বিশাল পতাকা নিয়ে তাইওয়ানের আকাশে চিনুক হেলিকপ্টার ● ২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনীতি দ্বিগুণ করতে দক্ষ তরুণ গড়ার আহ্বান ববি হাজ্জাজের ● শীতের সবজি বাজারে, তবু কমছে না দাম; ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমেছে ডিম ● নানা পাটেকারের মৃত্যুতে তনুশ্রী দত্তের প্রতিক্রিয়া, বললেন ‘যে চলে গেছে, সে চলে গেছে’ ● তেজগাঁও কলেজে নজরুলবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ● রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ৪ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার ● ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, ফি পরিবর্তনে জানাতে হবে ৩০ দিন আগে ● চীনা ল্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের, চাপে পড়তে পারে প্রযুক্তি বাণিজ্য ● সেপ্টেম্বরে অর্থনীতির গতি কমেছে, সংকোচনে শিল্প-সেবা ও নির্মাণ খাত ● পারিবারিক সহিংসতা রোধে পুলিশের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর নির্দেশ পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের ● চীনের আপত্তির মধ্যেই বিশাল পতাকা নিয়ে তাইওয়ানের আকাশে চিনুক হেলিকপ্টার ● ২০৩৪ সালের মধ্যে অর্থনীতি দ্বিগুণ করতে দক্ষ তরুণ গড়ার আহ্বান ববি হাজ্জাজের ● শীতের সবজি বাজারে, তবু কমছে না দাম; ডজনপ্রতি ১০ টাকা কমেছে ডিম ● নানা পাটেকারের মৃত্যুতে তনুশ্রী দত্তের প্রতিক্রিয়া, বললেন ‘যে চলে গেছে, সে চলে গেছে’ ● তেজগাঁও কলেজে নজরুলবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ● রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ৪ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার ● ইসলামিক ক্রেডিট কার্ডে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, ফি পরিবর্তনে জানাতে হবে ৩০ দিন আগে ● চীনা ল্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের, চাপে পড়তে পারে প্রযুক্তি বাণিজ্য

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের বিশেষ দূত সাসাকাওয়ার সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৯
শেয়ার: mail
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের বিশেষ দূত সাসাকাওয়ার সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মিয়ানমারে ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন (জাতীয় পুনর্মিলন) বিষয়ক জাপান সরকারের বিশেষ দূত এবং নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জাপানের বিশেষ দূত জানান, তিনি প্রায় ৫০ বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও জাতিগত বৈষম্য নিরসনে কাজ করছেন। মিয়ানমারে শান্তি ও জাতীয় পুনর্মিলন প্রক্রিয়ায় জাপান সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে তাঁর ভূমিকা ও কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের ওপর যে বিপুল চাপ সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে জাপান সরকার পুরোপুরি অবগত উল্লেখ করে সাসাকাওয়া বলেন, সংকটের শুরু থেকেই রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাপান আর্থিক অনুদান ও মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ দূত সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং তাঁর দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বড় জাতীয় ও আঞ্চলিক সংকট। এই সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য তিনি জাপান সরকারের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে আশ্রয় দেওয়ার ফলে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, স্থানীয় অবকাঠামো, পরিবেশ ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর প্রচণ্ড বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলক টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নিজের আন্তর্জাতিক অবস্থান থেকে জোরালো ভূমিকা রাখার জন্য জাপানের বিশেষ দূতের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রত্যাবাসনের পর মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের যথাযথ পুনর্বাসনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ।

জবাবে বিশেষ দূত জানান, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর বিশদ আলোচনা হয়েছে। মিয়ানমার সরকার এই সংকট নিরসনে আন্তরিক বলেই তিনি মনে করেন। তবে রাখাইন প্রদেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীল ও জটিল পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার অগ্রগতিতে কিছুটা বাড়তি সময় লাগছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে সফল প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ যেকোনো গঠনমূলক উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। কারণ, নিজ দেশে নাগরিক অধিকার নিয়ে ফিরে গেলে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ জীবনযাত্রার মৌলিক মানোন্নয়নের টেকসই সুযোগ সৃষ্টি হবে। জবাবে বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, তাঁর অবস্থান থেকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিনি সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে কেবল দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর না করে বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে বাংলাদেশে একটি আধুনিক ভ্যাকসিন (টিকা) উৎপাদনকেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন। বিশেষ দূত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে কাজ করার আশ্বাস দেন।

একই সঙ্গে বাংলাদেশে আরও বেশি জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ ছাড়া আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে মিয়ানমারের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের বিশেষ দূত সাসাকাওয়ার সাক্ষাৎ

বিস্তারিত কমেন্টে