মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ | ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | ভোর ৪:২৫:০৯
শিরোনাম
● সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা ● ইউরোপে জনশক্তি পাঠাতে মাহ্দী আমিনের সঙ্গে ইইউর সাক্ষাৎ ● নিয়োগ দেবে ব্যাংক এশিয়া, আবেদন শেষ ২০ অক্টোবর ● আকর্ষণীয় বেতনে নিয়োগ দেবে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস ● নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৪৫ ● পাবিপ্রবিতে পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল তৈরি করলেন ছাত্রদলের দুই নেতা ● গাইবান্ধায় সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধ, বাবার দাফন আটকে দিলেন মেয়ে ● মিঠাপুকুর থানা ও চৌকিদারি প্যারেড পরিদর্শন করলেন রংপুরের পুলিশ সুপার ● দুর্গাপূজায় টানা ৮ দিন বন্ধ থাকবে বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ● চাটমোহরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপন ● সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কতা ● ইউরোপে জনশক্তি পাঠাতে মাহ্দী আমিনের সঙ্গে ইইউর সাক্ষাৎ ● নিয়োগ দেবে ব্যাংক এশিয়া, আবেদন শেষ ২০ অক্টোবর ● আকর্ষণীয় বেতনে নিয়োগ দেবে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস ● নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৪৫ ● পাবিপ্রবিতে পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল তৈরি করলেন ছাত্রদলের দুই নেতা ● গাইবান্ধায় সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধ, বাবার দাফন আটকে দিলেন মেয়ে ● মিঠাপুকুর থানা ও চৌকিদারি প্যারেড পরিদর্শন করলেন রংপুরের পুলিশ সুপার ● দুর্গাপূজায় টানা ৮ দিন বন্ধ থাকবে বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ● চাটমোহরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপন

নেপাল ও তিব্বতে বন্যায় মৃত্যু ১৬৫, নিখোঁজ সহস্রাধিক পর্যটক ও পুণ্যার্থী

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০২
শেয়ার: mail
নেপাল ও তিব্বতে বন্যায় মৃত্যু ১৬৫, নিখোঁজ সহস্রাধিক পর্যটক ও পুণ্যার্থী

নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬২ জনে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৪০৩ জন, যার মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজ এই বিদেশিদের অধিকাংশই ভারতীয় নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এদিকে তিব্বতের গিয়িরং কাউন্টিতে তীব্র কাদাধসের ঘটনায় নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৫৫৮ জনে পৌঁছেছে বলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি। এদের মধ্যে ২৬০ জনই বিদেশি নাগরিক। তিব্বত অংশে এখন পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

নেপাল-তিব্বতের এই দুর্যোগকবলিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে কেন এত বিপুলসংখ্যক পর্যটক উপস্থিত ছিলেন—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যাকবলিত এই অঞ্চলটি হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র দুটি উচ্চভূমির হ্রদের তীর্থযাত্রার প্রধান পথ। এর একটি হলো তিব্বতের কৈলাস পর্বতের কাছে অবস্থিত মানস সরোবর এবং অন্যটি নেপালের রাসুয়া জেলার গোসাইকুণ্ড হ্রদ। প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক ও পুণ্যার্থী নেপাল সীমান্ত হয়ে মানস সরোবরে যাত্রা করেন।

বছরের এই নির্দিষ্ট সময়ে, বিশেষ করে ভারতীয় পুণ্যার্থীরা মানস সরোবর ভ্রমণ এবং গোসাইকুণ্ড হ্রদে পবিত্র স্নান সম্পন্ন করতে আসেন। ট্যুর অপারেটর সংস্থা আলপাইন কৈলাস ট্রেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ পণ্ডিত বলেন, ‘এটি পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি রুট। সাধারণত পূর্ণিমার সময়টিকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়, তাই পুণ্যার্থীরা এই নির্দিষ্ট সময়টিতেই এখানে বেশি আসেন।’ সেই ধর্মীয় স্নান ও তীর্থযাত্রার কারণেই সেখানে বহু দেশি-বিদেশি পর্যটকের সমাগম ঘটেছিল, যা পরবর্তীতে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে রূপ নেয়।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ | Globe kalprakash.com

নেপাল ও তিব্বতে বন্যায় মৃত্যু ১৬৫, নিখোঁজ সহস্রাধিক পর্যটক ও পুণ্যার্থী

বিস্তারিত কমেন্টে