গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরিফুল করীম।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ এমদাদুল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিনন্দন বার্তার তথ্য জানানো হয়।
অভিনন্দন বার্তায় কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরিফুল করীম বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন সজ্জন, প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী রাজনীতিবিদ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন। একজন নির্মোহ ও প্রদীপ্ত রাজনৈতিক আলোকবর্তিকা হিসেবে তিনি যুগ যুগ ধরে দেশের মানুষের হৃদয়ে গভীর আস্থা ও অবিচল শ্রদ্ধার বীজ বুনেছেন। রাজনীতির বন্ধুর পথ, দীর্ঘ ঝড়-ঝাপটা ও দুঃসময়ের আঁধারে তাঁর দৃঢ়তা, সাহস, সততা ও আপসহীন দায়িত্ববোধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তাঁকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন করার যে প্রজ্ঞাপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, তা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস, ত্যাগ, নিঃস্বার্থ দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার প্রতি এক অভাবনীয় এবং সমুচিত মূল্যায়ন।
অধ্যাপক ড. এম. এম. শরিফুল করীম আশা প্রকাশ করে বলেন, একজন প্রাজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমরা আনন্দিত। তাঁর প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ, উন্নত ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাবে।
অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফল কর্মময় জীবন কামনা করেন।
উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের আগে তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।