মানিকগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের বহনকারী ‘কালিগঙ্গা’ বাসে অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বন দক্ষিণ বাজার এলাকায় জবির ‘কালিগঙ্গা’ বাসটিতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। এতে জবির অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সিংগাইর সড়কে ঘটা একটি সড়ক দুর্ঘটনার পেছনে ভুলবশত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের সম্পৃক্ততা রয়েছে—এমন মিথ্যা গুজবে স্থানীয় একদল দুর্বৃত্ত বাসটির ওপর এই হামলা চালায়।
ঘটনার পরদিন বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের নেতৃত্বে জবি প্রশাসনের একটি প্রতিনিধি দল সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের দেখতে যান এবং তাঁদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন।
উপাচার্যের সঙ্গে প্রতিনিধি দলে জকসুর ভিপি, এজিএস, প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্য ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জকসু নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জবিয়ানরা হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্তকরণ ও আইনি প্রক্রিয়া জোরদারে মানিকগঞ্জের সিংগাইর থানার উদ্দেশে রওনা হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক জানান, উপাচার্য স্যারের নির্দেশে সিংগাইর থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, “শিক্ষার্থীদের ওপর এই কাপুরুষোচিত হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো আপস করবে না।”
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, পুলিশ পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে এবং লিখিত মামলার ভিত্তিতে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
kalprakash.com/IM