মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর এবার মাঠের বাইরেও নতুন ইতিহাস গড়লেন বার্সেলোনার স্প্যানিশ বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামাল। তাঁর বিরল ‘ওয়ান-অফ-ওয়ান’ কাবুম রুকি কার্ড নিলামে বিক্রি হয়েছে রেকর্ড ৭ লাখ ৭ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলারে। এর মাধ্যমে ফুটবল ট্রেডিং কার্ডের বাজারে কিংবদন্তি পেলে ও লিওনেল মেসির স্মারকের দামকেও ছাড়িয়ে গেছেন ১৭ বছর বয়সী এই তারকা।
গোল্ডিনের গ্লোবাল ফুটবল অকশনের দ্বিতীয় আসরে নিলামে ওঠে পানিনির ২০২৩-২৪ ডনরুস ফিফা সিরিজের ‘ব্ল্যাক ওয়ান-অফ-ওয়ান কাবুম’ রুকি কার্ডটি। কার্ডটি বিশ্বের একমাত্র কপি হওয়ায় শুরু থেকেই ক্রীড়া সংগ্রাহকদের আগ্রহের তুঙ্গে ছিল।
একই নিলামে সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পেলের ১৯৫৮ সালের গ্রেডেড রুকি কার্ড বিক্রি হয়েছে ৬ লাখ ১০ হাজার ডলারে। অন্যদিকে ২০২৩-২৪ টপস ক্রোম স্যাফায়ার সিরিজের লিওনেল মেসির একটি বিরল কার্ড বিক্রি হয়েছে ৩ লাখ ১৭ হাজার ২০০ ডলারে। ফলে ইয়ামালের কার্ডটি পেলের চেয়ে প্রায় ১ লাখ ডলার এবং মেসির কার্ডের চেয়ে প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার বেশি দামে বিক্রি হয়।
শুধু এই কার্ডই নয়, একই নিলামে ইয়ামালের আরও দুটি স্মারক রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হয়েছে। মাত্র ১০টি কপি থাকা ‘গোল্ড কাবুম’ রুকি কার্ডের ৮ নম্বর কপিটি বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ১০০ মার্কিন ডলারে। এ ছাড়া ২০২৩-২৪ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ব্যবহৃত ও তাঁর নিজের স্বাক্ষর করা বার্সেলোনার একটি জার্সির দাম উঠেছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ ডলার। সব মিলিয়ে এই তিনটি স্মারক থেকে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৪৯ হাজার ২০০ ডলারে।
এ নিলামে ফুটবলের অন্যান্য ঐতিহাসিক স্মারকও নজর কেড়েছে। আর্জেন্টিনার প্রয়াত কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার ১৯৭৭ সালের ডিস্ক রুকি কার্ড বিক্রি হয় ১ লাখ ৩ হাজার ৭০০ ডলারে এবং তাঁর একটি ‘ব্ল্যাক কাবুম’ কার্ডের দাম উঠে ৯১ হাজার ৫০০ ডলার।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের উদীয়মান তারকা ক্যাভান সুলিভানের একটি অটোগ্রাফ প্যাচ কার্ড ৯০ হাজার ডলারের বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।
kalprakash.com/IM