কর আদায়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং করদাতাদের হয়রানি কমাতে দেশে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল কর ব্যবস্থা চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) গবেষকরা।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আইসিএবির অডিটোরিয়ামে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ নিয়ে আয়োজিত ‘চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের ভাবনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ মতামত তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে আইসিএবির সভাপতি এন কে এ মবিন বলেন, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর নজরদারি এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে মৌলিক ব্যবসায়িক সেবাগুলোর ক্ষেত্রে বিআইএন (বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। পাশাপাশি কাস্টমস আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার এনে রপ্তানিমুখী বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সহজ ও গতিশীল করার আহ্বান জানান তিনি।
আইসিএবির মতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নির্ধারিত ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য অর্জনে শুধু করহার বৃদ্ধি নয়, বরং সমন্বিত সংস্কার, ডিজিটালাইজেশন এবং কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন জরুরি।
সংস্থাটি মনে করে, প্রযুক্তিনির্ভর কর ব্যবস্থাপনা চালু করা গেলে কর আদায় বাড়বে, কর ফাঁকি কমবে এবং করদাতাদের ভোগান্তিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
kalprakash.com/SAS
অনলাইন ডেস্ক 






















