রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। এতে প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।
রোববার (২৪ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক মো. ওহিদুজ্জামান। পরে মামলাটি ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারিক কার্যক্রমের জন্য পাঠানো হয়।
চার্জশিট সূত্রে জানা গেছে, স্বপ্না খাতুন আসামি সোহেলের দ্বিতীয় স্ত্রী। পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার দিন শিশুটি ঘর থেকে বের হলে অভিযুক্ত সোহেল তাকে রুমে নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে। পরে শিশুটি মারা গেলে ঘটনাটি গোপন ও প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
আরও বলা হয়, ঘটনার পর স্বপ্না আক্তার লাশ দেখে এবং পরিস্থিতি বুঝে দরজা বন্ধ করে রাখেন এবং পরে সোহেল পালিয়ে যায় বলে আশপাশের লোকজনকে জানান।
গত ১৯ মে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে একই দিন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।
এর আগে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় দুইজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি এখন বিচারিক প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 






















