পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের র্যাগ ডে ও কনসার্টের আয়োজন করা হয়। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে আয়োজিত কনসার্টে টিকিট কেনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের মধ্যে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে দেখা যায়। তবে হট্টগোল থামাতে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, কনসার্টে লালন ব্যান্ডের পরিবেশনা উপলক্ষে বহিরাগতদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। একপর্যায়ে টিকিট কেনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন বহিরাগত ছাত্রদলের রাজনৈতিক পরিচয়ে কনসার্টে প্রবেশের চেষ্টা করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। একপর্যায়ে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে দেখা যায়। এতে কনসার্টস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
কনসার্টে উপস্থিত শিক্ষার্থী সজিব হোসেন বলেন, এই পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। যেভাবে প্রধান ফটকে ধস্তাধস্তি শুরু হয়েছিল, তাতে মনে হচ্ছিল গেট বুঝি ভেঙেই যায়। দেখা গেছে, বিভিন্ন দিকের দেয়াল টপকে অনেকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা কোথায়?
তিনি আরও বলেন, বড় আয়োজন হলে ক্যাম্পাসে লোকসমাগম হবে, তবে সে অনুযায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কনসার্টের আয়োজন হবে, তবে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। এতে শিক্ষার্থীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন। ভবিষ্যতে বড় কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করলে এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে নজর দিতে হবে। কারণ, এটি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ, যেখানে শিক্ষা ও গবেষণা হয়—গাঁজার আসর নয়।
kalprakash.com/IM