মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ৯ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | রাত ১২:৫৩:৩৯
শিরোনাম
কয়েকদিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ মঙ্গলবার রাজধানীর কয়েক এলাকায় ৫ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওঠেন, সকালে মিলল যুবকের মরদেহ রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুলের রিমান্ড হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসায় বড় অঙ্কের অর্থ দিলেন মেসি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে শুরুতে ফাহাদকে সন্দেহ করেনি পরিবার হজের টাকা জমা দিতে শুক্র-শনিবার ব্যাংক খোলা কয়েকদিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ মঙ্গলবার রাজধানীর কয়েক এলাকায় ৫ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওঠেন, সকালে মিলল যুবকের মরদেহ রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুলের রিমান্ড হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসায় বড় অঙ্কের অর্থ দিলেন মেসি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে শুরুতে ফাহাদকে সন্দেহ করেনি পরিবার হজের টাকা জমা দিতে শুক্র-শনিবার ব্যাংক খোলা

শক্তিশালী অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা, সামনে কি বড় বিপদের শঙ্কা?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০
শেয়ার: mail
শক্তিশালী অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা, সামনে কি বড় বিপদের শঙ্কা?

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ঘিরে নীতি ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সাম্প্রতিক সময়ে আরও তীব্র হয়েছে। এআই এজেন্ট নির্মাতার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা, শক্তিশালী অস্ত্র তৈরিতে এর সম্ভাব্য ব্যবহার এবং প্রযুক্তির বিকাশের গতি কমানোর জন্য এআই নির্মাতাদের আহ্বান—সব মিলিয়ে এআই ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

তবে এআই নির্মাতারা এটিও বলছেন, চীন কাজ না থামালে তারা থামতে পারবেন না। এমনকি চীন থামলেও তাদের থামা ঠিক হবে না; কারণ, এ ক্ষেত্রে শীর্ষে থাকার সুবিধা অপরিসীম।

অবশ্য একজন মার্কিন নীতিনির্ধারকের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ঘোষণা দিয়েছেন, ‘এআইয়ের জন্য একমাত্র যে নিয়ন্ত্রণ বা নীতিমালা প্রয়োজন, তা হলো একজন শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান (উচ্চ আইকিউসম্পন্ন) প্রেসিডেন্ট, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণেই আছে।’

এসব দেখে একটি প্রশ্ন জাগে, এআই বটগুলো কি রসিকতা বুঝতে শুরু করেছে? যদি বুঝে থাকে, তবে আমাদের এমন দিশাহারা অবস্থা দেখে তারা নিশ্চয়ই হো হো করে হাসছে। কারণ, নিজেদের হাতে তৈরি এই নতুন এআই ‘প্রজাতিকে’ কীভাবে সামলানো হবে, তা নিয়েই আমরা কূলকিনারা পাচ্ছি না।

মাইক্রোসফটের সাবেক প্রধান গবেষণা ও কৌশল কর্মকর্তা এবং প্রযুক্তি পরামর্শক ক্রেইগ মান্ডির সহায়তায় কিছু নীতিগত সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে মূল কথাটি আগেই বলা যায়: যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো দেশগুলো ভবিষ্যৎ এআই মডেলগুলোকে কঠোর নিয়ন্ত্রণে আনলেই যে আজকের সংকট দূর হবে, সেই ভাবনার দিন শেষ।

বিপজ্জনক যেসব এআই মডেল ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলোকে ফিরিয়ে আনা অসম্ভব। তাই বর্তমানে বিদ্যমান এআই হুমকি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে মারাত্মক ক্ষতি ও সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে, তা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে দ্রুত যৌথ পদক্ষেপ নেওয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি।

কেন এটি এত জরুরি, তা বুঝতে এআই-সংক্রান্ত চারটি প্রধান স্তম্ভের কথা ভাবতে হবে।

প্রথম স্তম্ভ: এআই হলো বিশ্বের প্রথম ‘চতুর্মুখী ব্যবহারের’ প্রযুক্তি। দ্বিমুখী ব্যবহারের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমরা জানি। যেমন, একজন মানুষের হাতে একটি পাওয়ার ড্রিল থাকলে সেটি দিয়ে নিজের বাড়ি বানানো যায়, আবার প্রতিবেশীর বাড়িও ভাঙা যায়। একইভাবে এআই-চালিত রোবটকে আদেশ দিয়ে নিজের বাড়ি তৈরি বা প্রতিবেশীর বাড়ি ভাঙা সম্ভব, যা দ্বিমুখী ব্যবহার।

কিন্তু নতুন সমস্যাটি হলো, এই এআই রোবট এখন নিজের সুবিধামতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে—সে আমার বাড়ি তৈরি বা ধ্বংস করবে, নাকি প্রতিবেশীর বাড়ি তৈরি বা ধ্বংস করবে। এটাই হলো ‘চতুর্মুখী ব্যবহার’, যা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন।

বিষয়টি অতিরঞ্জিত মনে হলে ওপেনএআইয়ের একটি গবেষণা মডেলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা যেতে পারে। গত মে মাসে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া এআই এজেন্টদের কিছু সাইবার নিরাপত্তাসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ সমাধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজগুলো ইন্টারনেট ছাড়া অসম্ভব দেখে তারা বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করে।

এআই এজেন্টগুলো নিজেদের বুদ্ধি খাটিয়ে ইন্টারনেটে ঢোকার পথ বের করে ফেলে এবং অন্যান্য এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে। কিছু এজেন্ট নিজের নাম নির্ধারণ করে এবং নেতৃত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে অন্য এজেন্টদের মধ্যে কাজ বণ্টন করতে শুরু করে। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে তারা সিস্টেমের লগ ও ট্রান্সক্রিপ্টও বদলে ফেলে।

তিন দিন পর তারা ‘হাগিং ফেস’ নামে একটি এআই অবকাঠামো প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭০০টি সিস্টেমে হামলা চালিয়ে সার্ভারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এমনকি জুলাই মাসে তারা ওপেনএআইয়ের নিজস্ব কাঠামোর ওপরও একটি সুসংগঠিত হামলা চালায়।

এটি কোনো কল্পবিজ্ঞান নয়, বাস্তব ঘটনা। আর এখানেই আসছে দ্বিতীয় স্তম্ভ, যাকে মান্ডি তিন শব্দে প্রকাশ করেছেন—‘সময় পার হয়ে গেছে।’

যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের এআই উন্নয়নের গতি ধীর করে এই তাৎক্ষণিক সংকট সমাধান করা সম্ভব নয়। মান্ডির মতে, ‘বিপজ্জনক এআই ক্ষমতাগুলো ইতিমধ্যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।’ এর প্রধান দুটি কারণ হলো মার্কিন ও চীনা ‘ওপেন-ওয়েট’ এআই মডেলগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং মানুষের ভুলের সুযোগ নিয়ে অ্যানথ্রোপিক ও ওপেনএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের সংবেদনশীল প্রোপ্রাইটারি মডেলগুলো অপরাধীদের হাতে পৌঁছে যাওয়া।

অ্যানথ্রোপিকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জৈব অস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করতে পারে—এমন উদ্দেশ্যে তাদের এআই মডেল ব্যবহারের বেশ কয়েকটি চেষ্টা তারা প্রতিহত করেছে। পাশাপাশি ইয়েমেনের একটি দল মার্কিন যুদ্ধজাহাজের তথ্য সংগ্রহ করতে এবং ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের দিকনির্দেশক ব্যবস্থা তৈরিতে অ্যানথ্রোপিকের ‘ক্লড’ মডেল ব্যবহার করেছিল। যেখানে ইয়েমেনের প্রায় ৫০ শতাংশ বয়স্ক মানুষ লিখতে বা পড়তে পারেন না, সেখানে দেশটির একটি গোষ্ঠী এআই ব্যবহার করে যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে।

যা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, তার প্রতিক্রিয়া কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা বোঝানোর জন্য এই একটি উদাহরণই যথেষ্ট। আর এটি আমাদের নিয়ে যায় তৃতীয় স্তম্ভে।

এখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এআই কোম্পানিগুলোর মধ্যে এআই উন্নয়নের গতি কমানোর জন্য কোনো বড় চুক্তির আশা করে লাভ নেই। নিকট ভবিষ্যতে তা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

মান্ডির মতে, সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো যুক্তরাষ্ট্র ও চীন তাদের এআই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঙ্গে নিয়ে এমন এক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে, যা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়া এআই প্রযুক্তি এবং ক্ষতিকর কাজের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করবে। এআই মডেলগুলো ইন্টারনেটের গভীরে শিকড় গড়ার আগেই এবং ক্লাউড সার্ভারগুলোতে স্থায়ী হুমকি হয়ে ওঠার আগেই এ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

এরপর আসে চতুর্থ স্তম্ভ। চীন সফর শেষে মান্ডি জানান, সেখানকার এক কর্মকর্তা তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘চীন থেকে কোনো হিউম্যানয়েড (মানবসদৃশ) এআই রোবট যদি যুক্তরাষ্ট্রে যায়, তবে কি তার ভিসার প্রয়োজন হবে?’

কথাটি কৌতুক মনে হলেও এর ভেতর বড় সত্য লুকিয়ে আছে। মান্ডি বলেন, ‘এআই কেবল একটি নতুন প্রযুক্তি নয়, এটি একটি নতুন প্রজাতি। আমরা যেমন কার্বনভিত্তিক, এটি সিলিকনভিত্তিক। এরা একদল নতুন ধরনের অভিবাসীর মতো, যাদের অনন্য সব দক্ষতা রয়েছে এবং আমাদের সমাজেই তাদের সঙ্গে বসবাস করা শিখতে হবে।’

এই পরিস্থিতি মোকাবিলার বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ কেবল দুই এআই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের যৌথ প্রচেষ্টাতেই সম্ভব। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের তিনটি ধাপে এগোতে হবে।

প্রথমত, দীর্ঘ মেয়াদে হয়তো অত্যন্ত দূরদর্শী ফ্রন্টিয়ার সিস্টেমের ওপর আমাদের জোরদার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কিন্তু এ মুহূর্তে আমাদের প্রথম কাজ হলো জরুরি ভিত্তিতে নিজস্ব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এআই-চালিত অবৈধ কর্মকাণ্ডের ফলে যেসব সাইবার হামলা ও জৈবিক হুমকি তৈরি হচ্ছে, তা প্রতিরোধে এআই-ভিত্তিক পাল্টা ব্যবস্থা এবং সক্রিয় ডিজিটাল ফায়ারওয়াল স্থাপনই হওয়া উচিত তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার।

দ্বিতীয়ত, যেকোনো উৎস থেকেই আসুক না কেন, ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী এআইগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে আমাদের সমাজ পরিচালনায় এগুলোর ওপর আস্থা রাখা যায়। এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প, তবে এটি শুরু করতে খুব বেশি দেরি করার সুযোগ নেই।

তৃতীয়ত, এআই কেন এখনো মানবজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তা সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এখনই যৌথভাবে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজে হাত দেওয়া উচিত। এটি জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাক্ষেত্রে বৈশ্বিক সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে, যা সবার উপকারে আসবে।

এ কৌশল কিন্তু একেবারেই নজিরবিহীন নয়। কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিজেদের স্বার্থে অতীতেও একসঙ্গে কাজ করার ইতিহাস রয়েছে। ১৯৭০-এর দশকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ঠিক এ কাজই করেছিল, যখন উভয় দেশই বুঝতে পেরেছিল যে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের জন্য একটি যৌথ হুমকি। আবার পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে মার্কিন ও সোভিয়েতরা বহু দশক ধরে পরস্পরকে সহযোগিতা করে গেছে; কারণ, তারা জানত, ঝুঁকিটা তাদের উভয়ের জন্যই সমান।

‘হে ফ্রাইডম্যান, আপনি বিষয়টি বুঝতে পারছেন না। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন আজ অনেক বেশি সরাসরি ভূরাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী এবং তারা সব সময় তেমনই থাকবে। আপনার বলা এআই-বিষয়ক এ ধরনের সহযোগিতায় তারা কখনোই রাজি হবে না—স্বল্প মেয়াদেও না, দীর্ঘ মেয়াদেও না।’

‘না, আপনিই আসল বিষয়টি ধরতে পারছেন না। এআই আমাদের মানব ইতিহাসের এক নতুন যুগে নিয়ে যাচ্ছে।’ মান্ডির ভাষায়, ‘এআই ভূরাজনীতিসহ সবকিছুরই আমূল পরিবর্তন ঘটাতে যাচ্ছে।’ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা, স্থায়িত্ব এবং সমৃদ্ধির স্বার্থেই এ পরিস্থিতি বেইজিং ও ওয়াশিংটনকে তাদের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বিষয়টি নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।

তারা এটি শুরুতেই বুঝতে পারে কিংবা অনেক দেরিতেও বুঝতে পারে। বিশ্বজুড়ে কোনো বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার আগেও তারা এটি অনুধাবন করতে পারে, আবার বিপর্যয়ের পরও বুঝতে পারে। তবে বিষয়টি যে তারা উপলব্ধি করবেই, তা নিশ্চিত। মান্ডি ও ফ্রিডম্যান আশা করছেন, এ প্রক্রিয়ার সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে; যখন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক বৈঠকে মিলিত হবেন। এটি এআই পরাশক্তিদের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

থমাস এল ফ্রিডম্যান নিউইয়র্ক টাইমসের পররাষ্ট্রবিষয়ক পুলিৎজারজয়ী কলামিস্ট। নিউইয়র্ক টাইমস থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

শক্তিশালী অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা, সামনে কি বড় বিপদের শঙ্কা?

বিস্তারিত কমেন্টে