একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে ওঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, যেখানে দেশের সাধারণ মানুষ মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিয়ে বসবাস করতে পারবে, তেমন একটি রাষ্ট্রই তাঁর প্রত্যাশা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতিসংঘভিত্তিক একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে দেশের ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমি যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছি, তা হবে সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী। যেখানে বিপুলসংখ্যক তরুণের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বনির্ভর হওয়ার পথ আরও প্রসারিত হবে।” বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। এই পর্যায়ে আসার পেছনে দেশের জনগণের প্রতি এবং বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অনেক স্মৃতিই তাঁকে নাড়া দেয়। তিনি দেশের শান্তি ও অগ্রগতির জন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, জীবনের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দেশনেত্রীর শারীরিক অনুপস্থিতি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাঁর স্নেহ ও দিকনির্দেশনা সারা জীবনের বড় পাথেয় হয়ে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
kalprakash.com/IM