শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬ | ২৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৩ সফর, ১৪৪৮ | দুপুর ৩:৪০:৫২

অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ভুবন কুমার শীল, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪১
শেয়ার: mail
অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে বহুল প্রতীক্ষিত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নে গঠন করা টেকনিক্যাল কমিটি পুরোদমে কাজ শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদেরও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। খুব দ্রুতই এর পাইলট প্রকল্পের কাজ মাঠপর্যায়ে শুরু হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার নদ-নদীর আশঙ্কাজনক ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে চিলমারী বন্দর প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “তিস্তা একটি বিশাল ও উচ্চাভিলাষী প্রজেক্ট, যা একদিনে পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব নয়। মাত্র পাঁচ মাস হলো নির্বাচিত নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। আমাদের কিছু সময় দিন, আমরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ সূচনা করতে যাচ্ছি।”

কুড়িগ্রামের নদীভাঙন সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “চিলমারী বন্দরসহ সীমান্তবর্তী এই জেলার মারাত্মক ভাঙনকবলিত স্থানসমূহ আমরা পরিদর্শন করেছি। কুড়িগ্রামে স্থায়ীভাবে শক্তিশালী বাঁধ নির্মাণ ও নদীভাঙন প্রতিরোধে দুটি বড় মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যার কাজ দ্রুত সম্পাদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “কোনো নাগরিকের বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার বা ধর্মীয় উপাসনালয় যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ীই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসনকে সাথে নিয়ে আমরা নদীপাড়ের দুর্দশা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে এসেছি।”

দলমত নির্বিশেষে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করা হবে উল্লেখ করে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে কুড়িগ্রামের প্রায় ১০০টি অতি-ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও পাইলিংসহ নানামুখী প্রতিরক্ষামূলক কাজ চলমান রয়েছে। নদী এলাকার পরিদর্শন শেষে তিনি গাইবান্ধায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন দুটি প্রকল্প পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজার রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব সালেহী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব ও শফিকুল ইসলাম বেবু এবং জেলা বিএনপির সদস্য সাইয়েদ আহমেদ বাবুসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward